শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ ঈদযাত্রায় জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু                    কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় ইনসুরেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে – খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী        ঈদযাত্রায় স্বস্তি: নির্ধারিত ভাড়ায় চলাচল, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা—গাবতলীতে সড়ক মন্ত্রীর পরিদর্শন দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া মিরপুরে ছাত্রদল নেতা আশরাফুল হোসেন মামুনের সেহেরি আয়োজনে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ  – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী                             

নাচে-গানে বিদায় রিও ২০১৬! স্বাগত টোকিও ২০২০!

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩৮৪ বার পড়া হয়েছে

সমাপনী মানেই কি বিষাদ! যা শেষ হয়ে যাচ্ছে, সেটির উদ্‌যাপনও তো হতে পারে। রিও অলিম্পিকের আয়োজকেরা দ্বিতীয়টিতেই বিশ্বাস রাখলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিষাদের সুর তাই বাজলই না। বরং নাচে-গানে আর রঙের পসরা সাজিয়ে সেটি হয়ে রইল সত্যিকার এক উদ্‌যাপন। অলিম্পিকের জয়গান। বিশ্বমানবের মিলনমেলার জয়গান।

এই লেখা যখন লিখছি, মারাকানার গ্যালারি প্রায় খালি। যাঁরা আছেন, তাঁরা নেচে যাচ্ছেন। মাঠে যে চলছে ‘কার্নিভ্যাল’। রিওর কার্নিভ্যাল বিশ্ব বিখ্যাত। সেটি দিয়েই শেষ করা তাই খুব মানিয়ে গেল। এর আগে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টায় এই শহরের বিখ্যাত সব ল্যান্ডমার্ক ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার, সুগারলোফ, লাপার আর্চ—সবই বিশ্বকে দেখিয়ে দিল রিও। নিজেদের গর্ব করার মতো যা কিছু, তার সবও।

6 7অনেক কিছুতেই বিশেষত্ব আছে রিও ডি জেনিরোরও। আছে

গর্ব করার মতো অনেক কিছুই। এর মধ্যে একটি হলো সংগীত। বিশ্বের আর কোনো শহরে কি প্রধান বিমানবন্দরের নাম কোনো সংগীতজ্ঞের নামে হয়েছে? রিওর প্রধান বিমানবন্দর আন্তনিও কার্লোস জবিমের নামে, যিনি ছিলেন সংগীতের মানুষ। রিওর সংগীত, রিওর নাচ, রিওর উৎসবপ্রিয়তা—সবকিছুরই ছোট ছোট সংস্করণ থাকল সমাপনী অনুষ্ঠানে। অলিম্পিকের প্রাণ অ্যাথলেটরা ঢুকলেন ‘হিরোস অব দ্য অলিম্পিক’ পর্বে। একটা জায়গায় সেটিও হয়ে থাকল ব্যতিক্রমী।

সমাপনী অনুষ্ঠানে অ্যাথলেটদের দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে পা ব্যথা হয়ে যায়। এবার আর সেই যন্ত্রণা নেই। মাঠের চারপাশে বৃত্তাকার চেয়ারের সারিতে তাঁদের বসার ব্যবস্থা থাকল।

মাঝখানে একটা অংশ বরাদ্দ ছিল টোকিওর জন্য। চার বছর পর জাপানের রাজধানীতেই পরবর্তী অলিম্পিক। যে ৩৩টি খেলা হবে সেখানে, সেগুলোর অপূর্ব এক প্রদর্শনীতে জাপানিরা আবার মনে করিয়ে দিল প্রযুক্তির সঙ্গে বাধা তাদের গাঁটছড়ার কথা।

সবকিছুর পর একসময় মশাল নিভল। কিন্তু তাতেও বিষাদ নেমে আসার কোনো সুযোগ থাকল না। মাঠে যে শুরু হয়ে গেল মিনি কার্নিভ্যাল। গান-নাচ আর রঙের মেলায় যা জানিয়ে দিল, সমাপনী মানেই বিষাদ নয়। যা কিছু হয়েছে, সেটির উদ্‌যাপন। বিদায় রিও ২০১৬! স্বাগত টোকিও ২০২০!

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451