বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নাচে-গানে বিদায় রিও ২০১৬! স্বাগত টোকিও ২০২০!

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে

সমাপনী মানেই কি বিষাদ! যা শেষ হয়ে যাচ্ছে, সেটির উদ্‌যাপনও তো হতে পারে। রিও অলিম্পিকের আয়োজকেরা দ্বিতীয়টিতেই বিশ্বাস রাখলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিষাদের সুর তাই বাজলই না। বরং নাচে-গানে আর রঙের পসরা সাজিয়ে সেটি হয়ে রইল সত্যিকার এক উদ্‌যাপন। অলিম্পিকের জয়গান। বিশ্বমানবের মিলনমেলার জয়গান।

এই লেখা যখন লিখছি, মারাকানার গ্যালারি প্রায় খালি। যাঁরা আছেন, তাঁরা নেচে যাচ্ছেন। মাঠে যে চলছে ‘কার্নিভ্যাল’। রিওর কার্নিভ্যাল বিশ্ব বিখ্যাত। সেটি দিয়েই শেষ করা তাই খুব মানিয়ে গেল। এর আগে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টায় এই শহরের বিখ্যাত সব ল্যান্ডমার্ক ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার, সুগারলোফ, লাপার আর্চ—সবই বিশ্বকে দেখিয়ে দিল রিও। নিজেদের গর্ব করার মতো যা কিছু, তার সবও।

6 7অনেক কিছুতেই বিশেষত্ব আছে রিও ডি জেনিরোরও। আছে

গর্ব করার মতো অনেক কিছুই। এর মধ্যে একটি হলো সংগীত। বিশ্বের আর কোনো শহরে কি প্রধান বিমানবন্দরের নাম কোনো সংগীতজ্ঞের নামে হয়েছে? রিওর প্রধান বিমানবন্দর আন্তনিও কার্লোস জবিমের নামে, যিনি ছিলেন সংগীতের মানুষ। রিওর সংগীত, রিওর নাচ, রিওর উৎসবপ্রিয়তা—সবকিছুরই ছোট ছোট সংস্করণ থাকল সমাপনী অনুষ্ঠানে। অলিম্পিকের প্রাণ অ্যাথলেটরা ঢুকলেন ‘হিরোস অব দ্য অলিম্পিক’ পর্বে। একটা জায়গায় সেটিও হয়ে থাকল ব্যতিক্রমী।

সমাপনী অনুষ্ঠানে অ্যাথলেটদের দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে পা ব্যথা হয়ে যায়। এবার আর সেই যন্ত্রণা নেই। মাঠের চারপাশে বৃত্তাকার চেয়ারের সারিতে তাঁদের বসার ব্যবস্থা থাকল।

মাঝখানে একটা অংশ বরাদ্দ ছিল টোকিওর জন্য। চার বছর পর জাপানের রাজধানীতেই পরবর্তী অলিম্পিক। যে ৩৩টি খেলা হবে সেখানে, সেগুলোর অপূর্ব এক প্রদর্শনীতে জাপানিরা আবার মনে করিয়ে দিল প্রযুক্তির সঙ্গে বাধা তাদের গাঁটছড়ার কথা।

সবকিছুর পর একসময় মশাল নিভল। কিন্তু তাতেও বিষাদ নেমে আসার কোনো সুযোগ থাকল না। মাঠে যে শুরু হয়ে গেল মিনি কার্নিভ্যাল। গান-নাচ আর রঙের মেলায় যা জানিয়ে দিল, সমাপনী মানেই বিষাদ নয়। যা কিছু হয়েছে, সেটির উদ্‌যাপন। বিদায় রিও ২০১৬! স্বাগত টোকিও ২০২০!


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451