বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এনামুল গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাভারে এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নরওয়ের সাথে স্থানীয় সরকারে কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর

গুরুদাসপুরের নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর বাড়তি আয়ের উৎস চাঁই তৈরী

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৬
  • ২১৩ বার পড়া হয়েছে

মো. আখলাকুজ্জামান, গুরুদাসপুর প্রতিনিধি ঃ

গুণগত মান ভালো হওয়ায় নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে ওঠা মাছ ধরার উপকরণ চাঁই

(খোলসুন) স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্য এলাকাতেও সরবরাহ করা হচ্ছে। আশানুরূপ দাম পাওয়ায় এসব

চাঁই তৈরীর সঙ্গে জড়িত নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর বাড়তি আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে এই চাঁই তৈরীর

কাজ।

এসব ফাঁদ তৈরীকৃতদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাঁশ ও তালের ডাগুরের আঁশকে পুঁজি করে তৈরী

এসব চাঁই ছোট ছোট মাছ ধরার কাজে জলাশয়ে ব্যবহৃত হয়। এই মাছ ধরার ফাঁদ হাতে তৈরী করে

প্রতিটি পরিবার দিনে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকে।

লাভবান হওয়ায় এ অঞ্চলের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সারা বছরই চাঁই তৈরী করে। চলনবিল এলাকার কয়েক হাজার মানুষ এই

চাঁই তৈরীর সঙ্গে জড়িত। সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ায় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ

নিয়ে এসব নিম্ন আয়ের মানুষগুলো তাদের পেশা টিকিয়ে রেখেছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, নাটোরের অন্যতম বানিজ্যিক এলাকা গুরুদাসপুর পৌরসদরের চাঁচকৈড় হাট,

নয়াবাজার হাটসহ বড়াইগ্রাম ও সিংড়া উপজেলার বিভিন্ন হাটে এক জোড়া চাঁই আকারভেদে ৪৫০ থেকে

৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাদুয়া গ্রামের আবুল হোসেন (৪৫) বলেন, বছর পাঁচেক আগে তিনি মাছ ধরার অন্য যেসব উপকরণ আছে

সেগুলো তৈরী করতেন। পরে লাভ বেশি দেখে এখন শুধু চাঁই তৈরী করেন। সপ্তাহে ৭-৮টি তৈরী করতে পারেন

এবং আটটি চাঁইয়ের পেছনে ব্যয় হয় ২০০ টাকা। কিন্তু সেগুলো বিক্রি করতে পারেন দেড় হাজার থেকে ২

হাজার টাকা পর্যন্ত।

ঢাকা থেকে চাঁচকৈড় হাটে আসা চাঁই ব্যবসায়ী শওকত আলী বলেন, প্রতি হাটে তিনি প্রায় ১ লাখ

টাকার চাঁই ও বানাসহ মাছ ধরার বিভিন্ন সামগ্রী কিনে তা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি

করে থাকেন। এতে তার খরচ বাদে প্রতি হাটে ২০ হাজার টাকার মতো লাভ হয়।

চাঁচকৈড় হাটের ইজারাদার আমিরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে এই হাটে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৫০ লাখ

টাকার চাঁই সহ মাছ ধরার বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি হয়।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451