মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ

এস হেলাল শেখ : নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

 

ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় শত শত বাসা-বাড়ি অপরিকল্পিত ভাবে নির্মাণ করায় চরম দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ।

 

দেখা যায়, সরু রাস্তা, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পরিকল্পনাহীন ভবন নির্মাণের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনা এবং অগ্নিকাণ্ডের সময় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে ছোট ঘটনাও বড় ধরনের দুর্ঘটনায় রূপ নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

আইটিভির স্টাফ রিপোর্টার ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) জানান, বিশেষ করে শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভবনের ঘনবসতি ও সংকীর্ণ রাস্তার কারণে দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। কোনো এলাকায় আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের যানবাহন প্রবেশ করতে না পারায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। এতে জীবনের ঝুঁকিতে থাকছেন হাজার হাজার পোশাক শ্রমিক ও সাধারণ বাসিন্দা।

 

এ বিষয়ে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সাভার ও আশুলিয়ায় প্রায় ১ কোটি মানুষের বসবাস, যার অধিকাংশই পোশাক শ্রমিক। তাদের সংগঠনের অধীনে প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক ইউনিয়নে প্রায় ৭০ হাজার সদস্য রয়েছেন। তিনি বলেন, “কোনো বাড়িতে আগুন লাগলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হন শ্রমিকরা। কিছু বাড়িওয়ালার ৭ থেকে ১০টির বেশি বাড়ি রয়েছে, একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তারা সামলে নিতে পারেন। কিন্তু শ্রমিকদের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, জমি থাকলেই পরিকল্পনাহীনভাবে ভবন নির্মাণ করা উচিত নয়। মানুষের জীবন রক্ষায় নিরাপদ সড়ক, পর্যাপ্ত খোলা জায়গা থাকাটা জরুরি।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451