মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ এ মৌসুমে
কাহালু উপজেলায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। কাহালুতে উৎপাদিত বিভিন্ন
জাতের আলু এখন বিদেশে রপ্তানী করা হচ্ছে বলে জানায় স্থানীয় চাষিরা।
সূত্রমতে জানা য়ায়, এসব আলু চট্টগ্রামে ইউজ বাংলা ও ঢাকার কর্ণফুলী
এজেন্সির মাধ্যমে মালোয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানী হচ্ছে। বিদেশে
রপ্তানীর জন্য কাহালুর আড়োলা, তিনদিঘী, ভুগইল ও কাউড়া এলাকা থেকে
আলু কমিশনের মাধ্যমে চাষীদের কাছ থেকে ক্রয় করেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কমিশন নিয়ে আলু পরিস্কার করে প্যাকেট জাত করে
উল্লেখিত এজেন্সির বেতনভুক্ত কর্মচারীদের কাছে বুঝে দেন। কর্মচারীরা
ট্রাক বোঝাই করে আলু নিয়ে যায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম সহ অন্যান্য
এজেন্সির গোডাউনে। সম্প্রতি কাহালু উপজেলার আড়োলায় পাঠানো
কর্ণফূলী ও ইউজ বাংলার কর্মচারী আলী হোসেন ও পারভেজের কাছ থেকে
জানা যায় তাদের মহাজনরা আলু গুলো মালোয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে
বৈধভাবে রপ্তানী করেন। এখান থেকে তারা গ্যানোলা ২৫০ টাকা মন, রোমানা
৩০০ টাকা ও পাকড়ী জাতের আলু ৩৫০ টাকা মন দরে ক্রয় করছেন। এই আলু
যাতে সহজে নষ্ট না হয় তার জন্য ভালোভাবে প্যাকেট জাত করা হয়। কাগজের
কাটুন প্যাকেটে ১০ কেজি করে পাকড়ী ও রোমানা জাতের আলু তোলা হয়।
আর প্লাস্টিক ব্যাগে ৯ কেজি করে গ্যানোলা আলু প্যাকেট করা হয়। স্থানীয়
ব্যবসায়ী নান্নুমতি ও সোহরাফ রোস্তম জানান, “ালু ক্রয়, প্যাকেট জাত
করাসহ ট্রাকে উঠানোর দায়িত্ব তাদের। এই কাজের জন্য তারা ট্রাকপ্রতি ৬
হাজার টাকা কমিশন পান। তারা দু’জন মিলে প্রতিদিন ৫ ট্রাক আলু
পাঠাতে পারেন। তাদের মতে কাহালু উপজেলার উত্তরের প্রতিটি হাট-বাজারের
বেশ কয়েকটি গ্রুপ আছে যারা বিদেশে পাঠানোর জন্য আলু কমিশনের
মাধ্যমে কিনে দেন।