মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ – কাহালু (বগুড়া)ঃ গত রবিবার অসামাজিক
কার্যকলাপের জন্য কাহালু উপজেলার বরংগাশনি গ্রামের আঃ রহিমের বাড়ি
থেকে পুলিশ ৪ জনকে ধরে নিয়ে যায়। এদের মধ্যে অসামাজিক কার্যকলাপের
মূলহোতা উপজেলার কল্যানপুর গ্রামের মৃত রশিতুল্ল্যার পুত্র ইউসফ আলী
(৫০) কে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে। বরংগাশনি গ্রামের মামুন নামের এক ব্যক্তি
জানান, অসামাজিক কাজের জন্য বরংগাশনি গ্রামের আঃ রহিমের স্ত্রীসহ
চারজনকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। কাহালু থানায় গিয়ে জানা যায় এ
বিষয়টি থানার এস আই আঃ রহিম জানেন। এস আই আঃ রহিমকে ফোনে
যোগাযোগ করা হলে থানায় ডিউটিরত ডিউটি অফিসারের মাধ্যমে ২
মহিলা ও ১ পুরুষের নাম পাওয়া যায়। থানায় যারা আটক আছেন তারা হলেন
উপজেলার তেঁতলাপাড়ার সাহাদতের পুত্র আঃ হাই (৩৫), পিলকুঞ্জ ঝাঝাঁরপাড়ার
আলী মুদ্দিনের স্ত্রী পারভীন (৩০) ও বরংগাশনি গ্রামের আঃ রহিমের স্ত্রী
নাসিমা (২৭)। এদিকে সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে বরংগাশনি আঃ রহিমের
বাড়িতে নাসিমাকে ফুর্তির জন্য নিয়ে যায় উপজেলার কল্যানপুর গ্রামের
মৃত রশিতুল্ল্যার পুত্র ইউসুব আলী (৫০)। নাম না প্রকাশের শর্তে একাধিক
ব্যক্তি জানায়, ইউসুফ চারিত্রিক দিক দিয়ে ভালোনা। থানা হাজতে আটক
আঃ হাই জানান, আমার ভ্যানে ইউসুফ ঐ মেয়েকে নিয়ে যায় কিন্তু আমি
কোনো অসামাজিক কাজের জন্য সেখানে যায়নি। পুলিশি হেফাজতে
থাকা নাসিমা জানান, তারা আমার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলো, এলাকার
মানুষ শয়তানি করে আমাদেরকে ধরিয়ে দিয়েছে। তবে পারভীন এবিষয়ে
কোনো মন্তব্য করেননি। কাহালু থানার এস আই আঃ রহিমকে ফোনে
যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বরংগাশনি গ্রামের ঐ বাড়িতে
অসামাজিক কাজ হয় এমন খবরে সেখান থেকে তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের
জন্য থানায় আনা হয়েছে। তবে তিনি মূলহোতা ইউসুবকে থানায় নিয়ে
যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। কাহালু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)
শওকত কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানায় ৪ জনকেই আনা হয়। তবে
ইউসুফের বয়স বেশী হওয়ায় সে মুহুর্তের মধ্যে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন সে
কারনে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সে যদি অপরাধী হয় তবে তাকে আবার
ধরে আনা হবে।