মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মিরপুরে ছাত্রদল নেতা আশরাফুল হোসেন মামুনের সেহেরি আয়োজনে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ  – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী                              আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে ৪টি সংগঠনের সভাপতির অংশগ্রহণ চট্টগ্রামে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, দেশীয় টুপি ও নতুন নোটে বাড়তি আগ্রহ চট্টগ্রাম থেকে অগ্রিম টিকেটে ট্রেনে যাত্রীদের ঈদযাত্রা শুরু সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী  চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের অভিনন্দন

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের ঢেঁকি

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮
  • ৫৬১ বার পড়া হয়েছে
হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের ঢেঁকি

 

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ “ও বউ ধান ভনে রে
ঢেঁকিতে পার দিয়া, ঢেঁকি নাচে বউ নাচে, হেলিয়া
দুলিয়া…”। ঢেঁকি আর পল্লী বধূদেরকে নিয়ে এক সময় গানে
গানে মুখরিত হতো বাংলার জনপদ। এক সময় গ্রামের প্রতিটি
বাড়িতে ঢেঁকির প্রচলন থাকলেও বর্তমানে তা প্রায় বিলুপ্তির
পথে। মাঝে মধ্যে পাওয়া গেলেও তা বড়ই দুষ্কর। ঢেঁকিতে গ্রামের
নারীরা ধান, গম, চিড়া, চালের গুড়ো, মশলাসহ নিত্য দিনের
প্রয়োজনীয় নানান সামগ্রী তৈরি করতেন। কিন্তু কালের
বিবর্তনে যন্ত্র নির্ভর সভ্যতার যুগে তা প্রায় হারিয়ে যেতে
বসেছে।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ার গ্রামাঞ্চলে এখন আর তেমন ঢেঁকি
দেখা যায়না। নতুন প্রজন্মের অনেক ছেলে মেয়ে এই মানটির
সঙ্গেও পরিচিত নন। স্কুলের কোমলমতি অনেক শিক্ষার্থীই তাদের
বইয়ে ঢেঁকি শব্দ পড়ে চোখ কপালে তোলে শিক্ষকে উল্টো প্রশ্ন
করেন জানতে চায় ঢেঁকি আবার কি! শহর ছাড়িয়ে উপজেলার
গ্রামাঞ্চলের কোন কোন বাড়ীতে ঢেঁকি থাকলেও দেখা যায় পাড়ার
নারীরা পিঠাপুলি ও চালের গুড়ো করতে কয়েক দিন পূর্বেই
সিরিয়াল দিয়ে থাকে। এ প্রতিবেদকের সাথে গ্রামের বয়স্ক
নারীদের কথা হলে তাহারা জানান, ঘরে ঘরে এক সময় ঢেঁকি
থাকলেও এখন আর তেমনটা নেই, এখন সারা গ্রাম খোঁজ নিলে
দু’একটি বাড়িতে ঢেঁকি পাওয়া যায়। এখন আর আগের মতো
ঢেঁকির ব্যবহারও হয় না। তাই ঐতিহ্যের এই ঢেঁকি হারিয়ে
যাচ্ছে। সব বাড়িতে ঢেঁকি না থাকায় চাল নিয়ে এক ঢেঁকিতে
সিরিয়াল দিয়ে অনেকে চালেল গুড়ো করে নিচ্ছেন। একই দিনে
সকলের গুড়ো করা সম্ভব হবে না। আগে নারীরা মন মন ধান ভানতো ও
মরিচ, হলুদ, জিরা ইত্যাদি মশলাও করতেন ঢেঁকিতে।
৬০ বছর বয়সী এক নারী আমেনা খাতুন খোলা কাগজ
প্রতিবেদককে বলেন, রাইচমিল হওয়ায় নারীদের এই কষ্ট এখন দূর
হয়েছে। দিন বেধে ঢেঁকিতে কাজ করতে হয় না। এখন নারীরা

ঢেঁকিতে শুধু পিঠেপুলির জন্য চালের গুড়োই তৈরি করেন তাও
আবার সকলে নয়। অনেকেই এখন মিল থেকে চালের গুড়োও করিয়ে
আনেন। ঢেঁকির তেমন প্রয়োজন না হওয়ায় সারা বছর এটি পড়ে
থাকে অবহেলা আর অযতেœ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451