সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা আক্রোশের বলি কোমলমতি পরীক্ষার্থীরা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৪৩৮ বার পড়া হয়েছে

 

নাটোর জেলা প্রতিনিধি:
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ভালো ফলাফল কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে
নাটোরের হয়বতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য। অভিযোগ
উঠেছে, ভালো ফলাফল ঠেকানোর জন্য পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরীক্ষা চলাকালীন
হলে একাধিকবার পরিদর্শন করছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ একাধিক
পরিদর্শক। এরকম কড়া পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পরীক্ষা চলায় নাজেহাল হচ্ছে
কোমলমিত পরীক্ষার্থীরা। ফলে অবিভাবকদের মধ্যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, ২০০৯ সাল থেকে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু
হবার পর ৮ বারের মধ্যে ৪ বার উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করে
হয়বতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে ২০১১ সালের পরীক্ষায় জেলা
পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করে বিদ্যালয়টি। শিক্ষার্থীদের চেষ্টা ও
শিক্ষকদের আন্তরিকতায় বিদ্যালয়টি ভালো ফলাফলের মাধ্যমে এলাকায় সুনাম
বয়ে এনেছে ইতোমধ্যে। অভিযোগ উঠেছে, ভালো ফলাফল ঠেকানোর জন্য
গত বছরের ন্যায় এবছরও বাছাই করে দূরবর্তী বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের
পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময় শিক্ষকদের
রুঢ় আচরণের শিকার হচ্ছে ওই বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা। শিক্ষকরা বড় শ্রেণীর
শিক্ষার্থীদের সাথে যে আচরণ করেন, সেই আচরণ করছেন ৫ম শ্রেণীর
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সাথে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর পরীক্ষা
কার্যক্রমের তদারকি করতে এসে শিক্ষকদের মতই আচরণ করছেন সরকারী
কর্মকর্তারা। তুচ্ছ কারণে পরীক্ষার্থীদের খাতা কেড়ে নিচ্ছেন তারা।
পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের এ ধরণের আচরণে মানসিকভাবে দমে যাচ্ছে
পরীক্ষার্থীরা।
কেন্দ্র সচিব ও বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ওয়াজের মৃধা বলেন, বাইরের
শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে যে আচরণ করছেন তা
প্রত্যাশিত নয়। অথচ গত বছর থেকে এর পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। তবুও ফলাফলে
আমরা এগিয়ে। চলতি বছরে ৫৩ জন ছেলে ও ৫৮ জন মেয়ে সমাপনী পরীক্ষায়
অংশ নিচ্ছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বানুর সাথে এ
প্রসঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি প্রথমে বিষয়টি ওই প্রতিষ্ঠানের
অভ্যন্তরীণ বিরোধ বলে দাবী করেন। তবে একপর্যায়ে তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে
অভিযোগকারীর নাম জানতে চেয়ে বলেন, পরীক্ষা হলে কোন সরকারী
কর্মকর্তা রুঢ় আচরণ করেননি।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451