মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

লালপুরে সোনালী ধানের স্বপ্ন এখন মাটির সাথে দিশেহারা কৃষককুল

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
Exif_JPEG_420

মোঃ আশিকুর রহমান টুটুল, নাটোর জেলা প্রতিনিধি:
নাটোরের লালপুর উপজেলার মাঠ জুরে চলতি মৌসুমের রোপা আমন ধানের
বুক ভরা স্বপ্ন এখন মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। লঘু চাপে কারনে সারা
দেশের ন্যায় নাটোরের লালপুর উপজেলায় গত দুই দিন ধরে লাগাতার বৃষ্টিও তার
সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হওয়ায় উপজেলার মাঠ জুরে কৃষকের সবটুকু
দিয়ে জন্মানো সোনালী ধানের স্বপ্ন মাটির সঙ্গে মিশে দিয়ে গেছে।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখাযায়, প্রায় জমির পাকা,
আধাপাকা, কাঁচা ধান এখন মাটিতে পড়ে পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে।
যে গুলো খাড়া আছে তাও আধভগ্ন অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। এবছর
আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবং রোগ পোকামাকরের আক্রমন কম থাকায়
মাঠ জুরে রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনায় কৃষকের মুখে
হাসির ঝিলিক থাকলেও এখন শুধু হতাশা ও আতঙ্কে ভরে গেছে। প্রায় কৃষকই
বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ ও জমি লিজ নিয়ে চাষ করেছিলো রোপা আমন
ধান যা আর মাত্র ১৫/২০ দিনের মধ্যে ঘরে উঠবে এমন সময়ই সব ধান
মাটিতে শুয়ে পড়েছে। এব্যাপারে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকের
সঙ্গে কথা বললে ওয়ালিয়া গ্রামের ধান চাষী মোস্তফা,রান্টু, হাবিবুর
রহমান, রবিউল,অপূর্ব, মুনির, সোহেল রানা, সফিকুল ইসলাম আমার সংবাদ
কে বলেন, এই শেষ সময়ে মাঠে ধান পড়ে যাওয়া আমাদের বিশাল ক্ষতি হয়েছে।
অনেক কৃষকই তাদের মূলধন টুকুও ঘরে তুলতে পারেবে না। যা আগমিতে
চৈতালী ফসলে বড় বাঁধা হয়ে দাড়াঁবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে কৃষি অফিসার হাবিবুল ইসলাম
খাঁন বলছেন, এ বছর উপজেলায় প্রায় ৭ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে রোপা
আমন ধানে চাষ হয়েছিলো যা বিগত বছরের তুলনায় রেকোর্ড পরিমান।
তবে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় তা বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা ছিলো কিন্তু
শেষ মুহুর্তে এই প্রতিকুল আবহাওয়ায় তা কিছুটা ব্যহত হয়েছে। গত
দুই দিনে উপজেলার কিছু জমির ধানই মাটিতে হেলে পরে গেছে । এতে
প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা যাচ্ছে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমির হেলে পড়েছে
যার প্রায় পাকা ধান। তবে এতে কাঁচা ধানের ফলন ও কিছুটা কম হতে পারে।
আবহাওয়া পরিস্কার হয়েগেলে ৫-৭ দিনের মধ্যে পাকা ধান কেটে নিলে তেমন
ক্ষতি হবে না।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451