বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সুন্দরগঞ্জে তীব্র নদী ভাঙ্গন

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০১৭
  • ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

 

 

নুরুল আলম ডাকুয়া, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ

সুন্দরগঞ্জে বন্যার পানি হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে তীব্র নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।

৪/৫ দিনের ব্যবধানে ৪০০ পরিবার নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভেসে যাচ্ছে হরিপুর আশ্রয়ণ

প্রকল্প।

৫/৬ দিন থেকে সুন্দরগঞ্জে তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি হ্রাস পেতে শুরু করেছে।

পানি কমলেও বেড়েছে নদী ভাঙ্গন। উপজেলার হরিপুর, কাপাসিয়া, চন্ডিপুর, কঞ্চিবাড়ী,

বেলকায় তীব্র নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনের শিকার পরিবারগুলো সীমাহীন দূর্ভোগে

দিনাতিপাত করছে। এপর্যন্ত ৪০০ পরিবারের বসতভিটা, আবাদী জমি নদীগর্ভে বিলীন

হয়েছে। হরিপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার আশ্রয়ণ প্রকল্প ভেসে যাচ্ছে নদীগর্ভে। চরাঞ্চলের

বন্যাদূর্গ মানুষের আশ্রয় নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে ২০১০ সালে একতা এনজিও প্রায়

কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলা বাজারে তিস্তা নদীর চরে আশ্রয়ণ প্রকল্পটি নির্মাণ করে।

নির্মাণের পর থেকে বন্যা দূর্গতরা এর সুফল পেলেও গত কয়েকদিনের ভাঙ্গনে আশ্রয়ণ

প্রকল্পটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এনিয়ে হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল

ইসলাম সরকার জিমি বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পটি ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষার জন্য কার্যকরী

ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ক্রমান্বয়ে বিলীন যাচ্ছে। এব্যাপারে উপজেলার নির্বাহী অফিসার

এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান, আশ্রয়ণ প্রকল্পটি এনজিও কর্তৃক নির্মিত হওয়ায়

করণীয় কিছু নেই। তিনি আরও জানান, ৪/৫ দিনের ব্যবধানে বেলকা, হরিপুর,

কাপাসিয়া, চন্ডিপুর ও কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ৩৯৫টি পরিবার নদীগর্ভে

বিলীন হয়েছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451