রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মিল্টন-জাহাঙ্গীর পরিষদ সবার সেরা’ স্লোগানে মিরপুরে ছাত্রদলের বিশাল মিছিল  আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন, গাড়িতে ভাংচুর করে আগুন দিয়েছে শ্রমিকরা আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এনামুল গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

সুন্দরগঞ্জে তীব্র নদী ভাঙ্গন

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০১৭
  • ৩১১ বার পড়া হয়েছে

 

 

নুরুল আলম ডাকুয়া, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ

সুন্দরগঞ্জে বন্যার পানি হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে তীব্র নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।

৪/৫ দিনের ব্যবধানে ৪০০ পরিবার নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভেসে যাচ্ছে হরিপুর আশ্রয়ণ

প্রকল্প।

৫/৬ দিন থেকে সুন্দরগঞ্জে তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি হ্রাস পেতে শুরু করেছে।

পানি কমলেও বেড়েছে নদী ভাঙ্গন। উপজেলার হরিপুর, কাপাসিয়া, চন্ডিপুর, কঞ্চিবাড়ী,

বেলকায় তীব্র নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনের শিকার পরিবারগুলো সীমাহীন দূর্ভোগে

দিনাতিপাত করছে। এপর্যন্ত ৪০০ পরিবারের বসতভিটা, আবাদী জমি নদীগর্ভে বিলীন

হয়েছে। হরিপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার আশ্রয়ণ প্রকল্প ভেসে যাচ্ছে নদীগর্ভে। চরাঞ্চলের

বন্যাদূর্গ মানুষের আশ্রয় নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে ২০১০ সালে একতা এনজিও প্রায়

কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলা বাজারে তিস্তা নদীর চরে আশ্রয়ণ প্রকল্পটি নির্মাণ করে।

নির্মাণের পর থেকে বন্যা দূর্গতরা এর সুফল পেলেও গত কয়েকদিনের ভাঙ্গনে আশ্রয়ণ

প্রকল্পটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এনিয়ে হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল

ইসলাম সরকার জিমি বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পটি ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষার জন্য কার্যকরী

ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ক্রমান্বয়ে বিলীন যাচ্ছে। এব্যাপারে উপজেলার নির্বাহী অফিসার

এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান, আশ্রয়ণ প্রকল্পটি এনজিও কর্তৃক নির্মিত হওয়ায়

করণীয় কিছু নেই। তিনি আরও জানান, ৪/৫ দিনের ব্যবধানে বেলকা, হরিপুর,

কাপাসিয়া, চন্ডিপুর ও কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ৩৯৫টি পরিবার নদীগর্ভে

বিলীন হয়েছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451