বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি,
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় দীপা আক্তার (১১) নামের ষষ্ঠ শ্রেনীর এক ছাত্রীর
মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা এ নিয়ে
জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার হিজলী
পাবনাপাড়া গ্রামে ওই ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিহত দীপা একই
গ্রামের দুলাল খাঁর মেয়ে এবং সোনাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী।
এদিকে মঙ্গলবার জানাজা শেষে নিহত দীপাকে দাফন করা হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রতিবেশী জানান, প্রায় তিন বছর পূর্বে
দীপার মা তার বাবাকে ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। সে সময় থেকে দীপা একই
গ্রামের ফুপা আব্বাস আলীর বাড়িতে থাকে এবং ফুপা-ফুপুর কাছেই বড়
হয়। সোমবার সন্ধ্যায় অ্যাপেন্ডি·ের ব্যাথার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে দীপা
নিজের পড়ার ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
দয়ারামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব হোসেন মিঠু নিহতের পরিবারের
বরাত দিয়ে জানান, টয়লেট থেকে বের হয়ে ভেজা হাতেই বৈদ্যুতিক সুইচ
বন্ধ করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে দীপা মারা যায়। পরে পরিবারের লোকজন
বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে স্থানীয় জমেলা ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক
সেন্টারে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দীপাকে মৃত ঘোষনা করেন।
এব্যাপারে বাগাতিপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মনির“ল ইসলাম বলেন,
তিনি এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাননি।