মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গলাচিপায় মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহন করে স্বাবলম্বী হচ্ছে শিক্ষিত যুবকরা 

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৮ জুন, ২০১৭
  • ৩২১ বার পড়া হয়েছে

 

গলাচিপা প্রতিবেদক,মু.নজরুল ইসলাম:
পটুয়াখালীর গলাচিপায় মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহন করে শিক্ষিত যুবকরা এখন স্বাবলম্বী হয়েছে। এ উপজেলার অন্তত ২০টি রুটে শিক্ষিত যুবকরা এ পেশায় এগিয়ে এসেছে। অধিকাংশ চালক উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে চাকরি না পেয়ে শক্ত হাতে মোটরসাইকেলে হ্যান্ডেল ধরেছে। দিনমজুরসহ অন্য কাজে আপত্তি থাকলেও মোটরসাইকেলে যাত্রী বহন করে অর্থ উপার্জনে নেই কোনো আপত্তি ওই সব বেকার যুবকদের। এদিকে গলাচিপা বিভিন্ন রুটে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার মোটরসাইকেল চালক  এসব ব্যবসার সাথে যুক্ত। বেশিরভাগ গলাচিপা  উপজেলার চৌরাস্তা টু পানপট্টি, কলেজপাড়া টু উলানিয়া এবং হরিদেবপুর পটুয়াখালী রুটে চলছে যাত্রী পরিবহনে এসব মোটরসাইকেল। এসব রুটে প্রতিদিনই বাড়ছে যাত্রী সংখ্যা। এতে এসব যানবাহনের চাহিদাও বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গলাচিপা উপজেলার পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নের প্রায় রাস্তাই বর্তমানে পাকা। ফলে যেসব এলাকার মানুষ মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে অথবা ভ্যানে কিংবা নৌকা যোগে চলাচল করত তাদের এখন প্রধান বাহন মোটরসাইকেল। মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা একজন চালক জানান, গলাচিপা উপজেলায় প্রায় ১০হাজার মোটরসাইকেল চালক আছে। যারা বিভিন্ন রুটে যাত্রী পরিবহন করে। এদের মধ্যে অধিকাংশই শিক্ষিত। গ্রামগঞ্জে যারা মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব সুখে আছে। অনেকে দৈনিক বা চুক্তি ভিত্তিক এসব যানবাহন ভাড়া দিয়ে বাড়তি আয় করছে। যারা ফলে তারা বেশ স্বাবলম্বী।প্রতিদিনের সকল খরচ বাদ দিয়ে তাদের দৈনিক চার-পাঁচ’শ টাকা আয় হয়। ঈদে আর কুরবানীর সময় আয় বেড়ে যায় দ্বিগুন থেকে তিনগুন। এছাড়া মোটর সাইকেলের টাকা সঞ্চয় করে কেউ কেউ একাধিক মোটরসাইকেল ক্রয় করছে। পরে তারা এগুলো দৈনিক বা চুক্তি ভিত্তিক ভাড়া দিচ্ছে। পানপট্টি ইউনিয়নের গ্রামমর্দ্দন গ্রামের মোটরসাইকেল চালক কামাল আর উলানিয়ার চালক রাসেল জানান, বিএ পাশ করে বিভিন্ন স্থানে ঘুরলাম। একাধিক আবেদন করলাম। কিন্তু কোনো চাকুরি হয়নি। শেষ বাধ্য হয়ে এই পথ বেছে নিয়েছি। বর্তমানে পরিবার নিয়ে খুব সুখে আছি।

প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451