বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সিরাজগঞ্জে নির্মাণাধীন বাঁধে আবারও ১৫ মিটার বিলীন : এলাকায় আতঙ্ক

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৯ জুন, ২০১৭
  • ৪৩৭ বার পড়া হয়েছে

সোহেল রানা সোহাগ.সিরাজগঞ্জ থেকেঃ

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন

বাঁধে ২২ দিনের মাথায় তৃতীয় দফায় ধস নেমেছে। বৃহস্পতিবার

সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এ ধসের বিস্তৃতি বেড়ে

দাঁড়িয়েছে ১৫ মিটারে। নির্মাণ কাজে ত্রুটির কারণে বাঁধের

জোতপাড়া অংশে এ ধস নেমেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এদিকে নদী ভাঙ্গন কবলিত এ অঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের এ বাঁধ ধসের

ফলে যমুনা নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে ধস ঠেকাতে বালি বোঝাই জিও টেক্স বস্তা ফেলে তা নিয়ন্ত্রনের

চেষ্টা করছে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডে।

এলাকাবাসী ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্র জানা যায়, সিরাজগঞ্জে

যমুনা নদীর ভাঙ্গনে বিপর্য চৌহালী উপজেলার পশ্চিম পাড়ের বাকি

অংশ এবং টাঙ্গাইল জেলা রক্ষায় ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭

কিলোমিটার তীর সংরক্ষন বাঁধ গত ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর শুরু হয়।

যার প্রায় ৯৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। হঠাৎ করে বৃহস্পতিবার নদীর

চৌহালীর বাধের জোতপাড়া অংশের উপরের অংশে ১৫ মিটার ও গভীরে ৬৭

মিটার ধসে যায়। বর্তমানে ধসে যাওয়া স্থানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ

ফেলা হচ্ছে। সাধারন স্রোতে আকষ্মিক এ ধসের ফলে এলাকা জুড়ে

সবার মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বাঁধ সম্পূর্ণ হবার আগেই

দফায়-দয়ায় এমন ভাঙ্গন নির্মানে স্টপিং কাজে অকার্যকর মাটি

নিচে ফেলে ব্লক দেয়ায় তা সাধারন স্রোতেই সরে গিয়ে এই ধস

দেখা দিয়েছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছে। এতে মুল বাধটিও

ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান

সিরাজ জানান, বাঁধের ধসে যাওয়া অংশের তলাদেশে গর্তের সৃষ্টি

হওয়ার জন্য এই ধসের মুল কারণ। বাঁধের উপরের ফেনসি অংশে ১৫

মিটার ও এর গভীরে প্রায় ৬৭ মিটার ধস দেখা দিয়েছে। তবে এতে

আতঙ্কের কিছু নেই। কিছুদিনের মধ্যেই এর সংস্কার কাজ সম্পন্ন

করা হবে। এতে মূল বাঁধ নির্মাণে কোন প্রভাব পড়বেনা।

উল্লেখ্য, গত ২ ও ১৬ মে একইভাবে এ বাঁধের খগেনের ঘাট এবং

আলীয়া মাদ্রাসা অংশে প্রায় ১২০ মিটার জুড়ে ধসে যায়।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451