গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি,
নাটোরের গুরুদাসপুরে আড়াই বছরের শিশুকণ্যা দৃষ্টি হত্যার ৩০ঘন্টা পর
বাক্সবন্দী লাশ উদ্ধারের আরো ২৪ঘন্টা কেটে গেলেও এখনো শিশুটিকে হত্যার
কোন কারন উদঘাটন করতে পারেনি থানা পুলিশ।
এদিকে শনিবাররাতে শিশু দৃষ্টি হত্যার ঘটনায় প্রতিবেশি প্রদীপঘোষ (৪০)
তার স্ত্রী রীতারানী ঘোষ (৩০) ও প্রদীপের ছেলে হৃদয় (১২) কে আসামী করে
গুরুদাসপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে। নিহত শিশু দৃষ্টির বাবা মোহন
ঘোষ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। গতকাল রোববার আদালতের মাধ্যমে
তাদের নাটোর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল রোববার বিকালে ওসি তদন্ত মো. তারেকুর রহমান সরকার জানান,
ভিসেরা রিপোর্ট পুলিশের হাতে না পাওয়ায় শিশুটির মৃত্যুর কারন জানা
যায়নি। তবে ওসি দিলীপ কুমার দাস জানিয়েছেন শ্বাসরোধ করেই শিশু
দৃষ্টিকে হত্যা করা হয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে শিশুটিকে হত্যা করা
হয়েছে বলে জানায় এলাকাবাসি।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে চাঁচকৈড় বাজারপাড়ার মোহনঘোষের
মেয়ে দৃষ্টি নিখোঁজ হওয়ার পর মাইকিংসহ বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজির
৩০ঘন্টা পর শনিবার বিকালে প্রতিবেশি প্রদীপ ঘোষের শয়নঘরের খাটের
নিচে রাখা ট্রাঙ্কের মধ্যে দৃষ্টির বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে
গুরুাদসুপর থানার ওসি দিলীপ কুমার দতাস বলেন, শিশু দৃষ্টিকে শ্বাসরোধ
করেই হত্যা করা হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস। তবে ওসি (তদন্ত) মোঃ তারেকুর
রহমান সরকার জানান আমরা এ পর্যন্ত ভিসেরা রিপোর্ট পাইনি তাই
দৃষ্টিকে হত্যার কারণ জানতে পারিনি।