মোঃ আশিকুর রহমান(টুটুল), নাটোর জেলা প্রতিনিধি,
নাটোরের লালপুরে বজ্রপাতে নিহতের লাশ চুরির ভয়ে ঘরের মধ্যে দাফন করেছে নিহতের
স্বজনরা। কবরের চারপাশে তৈরী করা হচ্ছে ইটের দেওয়াল।
সোমবার (২৪ এপ্রিল) সকালে লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া গ্রামের মাঠে পেঁয়াজ
তুলতে গিয়ে বজ্রঘাতে হাফিজুল ইসলাম (২৬) নিহত হয়। আর হাফিজুলের লাশ
ঘিরে শুরু হয় নানা জল্পনা কল্পনা কথা। লোকজন বজ্রপাতে নিহতের লাশ চুরির কাহিনী
নিয়ে কথা বলেন পরিবারের লোকজনের সাথে। ফলে সামাজিক কবরস্থানে লাশ দাফন
নিয়ে সিদ্ধান্তহীতায় পড়েন হাফিজুলের স্বজনরা। ফলে লাশ দাফনে বিলম্বও হয় সন্ধা
পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত হাফিজুলের বাড়ির মধ্যে ভূষির ঘরে (গরুর খাবার রাখার ঘর) তার লাশ
দাফন সম্পন্ন করে স্বজনরা। সেখান থেকেও যেন লাশ চুরি না হয় সেজন্য মঙ্গলবার
সকাল থেকে শক্ত করে ইটের দেওয়াল তৈরীর কাজ শুরু করা হয়েছে।
এব্যাপারে নিহতের বাবা মতিউর রহমান বলেন, বজ্রপাতে নিহতের লাশ নাকি কবর
থেকে তুলে নিয়ে যায় চোরেররা। তাই ঘরের মধ্যেই ছেলের কবর দেওয়া হয়েছে।