বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ ঈদযাত্রায় জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু                    কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় ইনসুরেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে – খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী        ঈদযাত্রায় স্বস্তি: নির্ধারিত ভাড়ায় চলাচল, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা—গাবতলীতে সড়ক মন্ত্রীর পরিদর্শন দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া মিরপুরে ছাত্রদল নেতা আশরাফুল হোসেন মামুনের সেহেরি আয়োজনে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ  – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী                             

কলাপাড়ায় ধানখালী ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ২০ মার্চ, ২০১৭
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

আতিকুল ইসলাম দিপু, কলাপাড়া প্রতিনিধি : চরম দুর্ভোগ করে খেয়া পরাপার হয়ে ধানখালী ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ উপজেলা সদরে আসা-যাওয়া করছে। নিত্যদিন এমন দুর্ভোগ এখন দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন কেউ না কেউ আবার কাদায় পড়ে নাকাল হচ্ছেন। টিয়াখালী নদী পার হতে টিয়াখালী-লোন্দা খেয়াঘাটে এমন ভোগান্তির শিকার হয় সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ বেশি। এসব ভোগান্তি ছাড়াও এঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। উপজেলা পরিষদ থেকে খেয়াঘাটটি প্রতি বছর ইজারা দেয়া হয়।
ইজারার শর্তাবলীতে উল্লেখ রয়েছে, পারাপারে কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত হারের অতিরিক্ত কোন অর্থ আদায় করলে ইজারা বন্দোবস্ত বাতিল করা হবে। ইজারাদারকে নিজ খরচে যাত্রীদের ওঠানামার জন্য পাটাতন ও সিড়ির ব্যবস্থা এবং ঘাটে যাত্রীদের অপেক্ষা করার জন্য যাত্রী ছাউনী নির্মাণ করতে হবে। এছাড়া খেয়াঘাটের উভয়পাড়ে ও প্রকাশ্য স্থানে নিজ খরচায় অনুমোদিত পারাপারের হারের তালিকা বাংলাভাষায় স্পষ্টরুপে সাইনবোর্ড আকারে লটকানোর নির্দেশনা রয়েছে। নইলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু এসব মানা হয় না। খেয়াঘাটে কোন টোল রেট নেই। ২০১৬ সালের ৯ মে সর্বশেষ টোলরেট নির্ধারন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুদ হাসান পাটোয়ারী এ রেট নির্ধারন করেন।
স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ বেশি—সাগরকন্যা স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ বেশি।
যেখানে মানুষ পারাপারে জনপ্রতি চার টাকা। অযান্ত্রিক (বৈঠা নৌকায়) জনপ্রতি দুই টাকা। মটর সাইকেল প্রতি দশ টাকা। বাই সাইকেল চার টাকা। ছাগল/ভেড়া চার টাকা। গরু/মহিষ দশ টাকা। বিভিন্ন মালামাল (প্রতি ৪০ কেজি) তিন টাকা। রিক্সা/ভ্যান ছয় টাকা। কিন্তু এসব টোল রেট মানা হয় না। টোলরেট টানানোর জন্য ইতোপুর্বে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারকে চিঠি পর্যন্ত দেয়া হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। খামখেয়ালীর শেষ নেই। যাত্রীরা প্রতিবাদ পর্যন্ত করতে সাহস পায়না। প্রতিবাদ করলে লাঞ্চিত করা হয়। এছাড়া ঘাট নির্মাণ না করায় নারী-পুরুষ যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ নেই। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম সাদিকুর রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনা না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা  নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451