বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এনামুল গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাভারে এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নরওয়ের সাথে স্থানীয় সরকারে কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর

বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী ওয়ালিয়ার তাঁত শিল্প

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৪৪৫ বার পড়া হয়েছে

 

 

মোঃ আশিকুর রহমান(টুটুল),নাটোর ব্যুরো প্রধান:

নাটোরের লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়ার এতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প এখন বিলুপ্তির

পথে । ভোর বেলায় তাঁতের খটর খটর শব্দে ঘুম ভাঙ্গত এই এলাকার মানুষের ।

তাঁতিরা সারাদিন বাহারী রঙ্গের গামছা,লুঙ্গী, শাড়ী তৈরীতে ব্যাস্ত থাকতেন

গ্রামের গৃহবধূরা । আর কাজের ফঁকে হাটে হাটে পাশরা সাজিয়ে সে

সব গামছা,লুঙ্গি,শাড়ী বিক্রয় করতেন গ্রামের অধিকাংশ পুরুষেরা । সে

সময় ওয়ালিয়া গ্রামের ঐতিহ্যবাহী তাঁতের তৈরী কাপড় কিনতে আসতেন

বাইরের ব্যবসায়ীরাও কিন্তু এখন এসব শুধু গল্প বা কেচ্ছা কাহিনীর মত মনে

হয়। জানাগেছে, ওয়ালিয়া পশ্চিম কারীগর পাড়ায় এখন মাত্র ১০/১২ টি

পরিবারে তাঁত রয়েছে। এর সাথে জরিত তাঁত শিল্পীরাও এখন পুজির অভাবে

খাবি খাচ্ছে । এদের অনেকেই মাহজনের ফাঁদে পা দিয়ে কোন রকমে

দিনাতিপাত করছে । লাভের অধিকাংশই চলে যাচ্ছে মাহাজনের পকেটে । তাঁত

শিল্পী মঞ্জুয়ারা বেগম জানান, গামছা বুনানোর জন্য একটি তানায়

২০মুড়া সুতা থাকে তাতে ১৭২ টি গামছা তৈরী করা যায় । যা মাহাজনদের

নিকট থেকে ২৫০০-২৭০০ টাকায় কিনতে হয় । আর এই ১৭২ টি গামছা

বুনানোর জন্য লাল,সবুজ,সাদা,কালো,গ্রীন গোলাপী রংএর মোট ৩৭

মোড়া সুতা প্রয়োজন হয়। যার প্রতি মোড়া গ্রীন কালার সুতা

৮০টাকা, লাল,হলুদ,সাদা,কালো রংএর সুতা ৭০টাকা। এই তানায় ১৭২ টি

গামছা বুনতে সময় লাগে ৩০-৪০দিন । এই প্রতি পিছ গামছা পায়কারী

বিক্রয় হয় ৫০টাকা । খুচরা বিক্রয় হয় ৬০-৬৫টাকা যার মাধ্যমে প্রতি ১৭২

টা গামছা একটি তানা বুনে আয় হয় মাত্র১০০০/১২০০টাকা ।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451