রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী ওয়ালিয়ার তাঁত শিল্প

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে

 

 

মোঃ আশিকুর রহমান(টুটুল),নাটোর ব্যুরো প্রধান:

নাটোরের লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়ার এতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প এখন বিলুপ্তির

পথে । ভোর বেলায় তাঁতের খটর খটর শব্দে ঘুম ভাঙ্গত এই এলাকার মানুষের ।

তাঁতিরা সারাদিন বাহারী রঙ্গের গামছা,লুঙ্গী, শাড়ী তৈরীতে ব্যাস্ত থাকতেন

গ্রামের গৃহবধূরা । আর কাজের ফঁকে হাটে হাটে পাশরা সাজিয়ে সে

সব গামছা,লুঙ্গি,শাড়ী বিক্রয় করতেন গ্রামের অধিকাংশ পুরুষেরা । সে

সময় ওয়ালিয়া গ্রামের ঐতিহ্যবাহী তাঁতের তৈরী কাপড় কিনতে আসতেন

বাইরের ব্যবসায়ীরাও কিন্তু এখন এসব শুধু গল্প বা কেচ্ছা কাহিনীর মত মনে

হয়। জানাগেছে, ওয়ালিয়া পশ্চিম কারীগর পাড়ায় এখন মাত্র ১০/১২ টি

পরিবারে তাঁত রয়েছে। এর সাথে জরিত তাঁত শিল্পীরাও এখন পুজির অভাবে

খাবি খাচ্ছে । এদের অনেকেই মাহজনের ফাঁদে পা দিয়ে কোন রকমে

দিনাতিপাত করছে । লাভের অধিকাংশই চলে যাচ্ছে মাহাজনের পকেটে । তাঁত

শিল্পী মঞ্জুয়ারা বেগম জানান, গামছা বুনানোর জন্য একটি তানায়

২০মুড়া সুতা থাকে তাতে ১৭২ টি গামছা তৈরী করা যায় । যা মাহাজনদের

নিকট থেকে ২৫০০-২৭০০ টাকায় কিনতে হয় । আর এই ১৭২ টি গামছা

বুনানোর জন্য লাল,সবুজ,সাদা,কালো,গ্রীন গোলাপী রংএর মোট ৩৭

মোড়া সুতা প্রয়োজন হয়। যার প্রতি মোড়া গ্রীন কালার সুতা

৮০টাকা, লাল,হলুদ,সাদা,কালো রংএর সুতা ৭০টাকা। এই তানায় ১৭২ টি

গামছা বুনতে সময় লাগে ৩০-৪০দিন । এই প্রতি পিছ গামছা পায়কারী

বিক্রয় হয় ৫০টাকা । খুচরা বিক্রয় হয় ৬০-৬৫টাকা যার মাধ্যমে প্রতি ১৭২

টা গামছা একটি তানা বুনে আয় হয় মাত্র১০০০/১২০০টাকা ।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451