রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বনশ্রী প্রকল্পে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৬
  • ১৯১ বার পড়া হয়েছে

 

গুরুদাসপুর প্রতিনিধি.

নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া ও বড়াইগ্রাম উপজেলার শতাধিক বেকার যুবকদের

কাছে থেকে বনশ্রী প্রকল্পে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে

উধাও হয়েছে একটি প্রতারক চক্র।

ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায়, গুরুদাসপুর উপজেলার তেলটুপি গ্রামের মৃত আনছার

আলীর ছেলে এবং কুসুম হাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক

মোবারক হোসেন বনশ্রী প্রকল্পে রাস্তায় গাছ লাগানোর লোক নিয়োগ দেওয়ার

জন্য বেকার যুবকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। ইতিপূর্বেও তার

বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে বনশ্রী প্রকল্পের জিএম

পরিচয় দিয়ে কয়েকজন সহযোগিদের নিয়ে গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা

ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের নাছির, সাত্তার, খবির, কামিরুল, গোলাম, জোহা,

মোতালেব, কান্তপুর গ্রামের আশরাফুল, ফিরোজ, রুবেল, সুমন, হাসমত, জাহিদুল,

আশরাফুল, খায়রুল, রফিকুল, রব্বেল, নয়ন, রহিম হুজুর, পুঠিমারী গ্রামের নাজমুল,

সোহেল, রবিন, সিংড়া উপজেলা এবং বড়াইগ্রাম উপজেলা মিলে শতাধিক বেকার

যুবকদের কাছ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছে বলে

ভুক্তভোগিরা জানান।

কুসুম হাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি

গত ৪/৪/২০১৬ তারিখে যোগদান করার পর থেকেই মোবারক হোসেন বিদ্যালয়ে

আসেন না। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে জানানো হলে তার বেতন বন্ধ হয়ে

যায়। সে কোথায় আছে তিনি জানেন না।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, মোবারক হোসেন

মাষ্টার বেশ কিছু দিন ধরে স্কুলে অনুপস্থিত থাকার কারনে তার বেতন-ভাতা বন্ধ করা

হয়েছে। তাকে কোথায়ও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সে স্কুলে এলে তার বিরুদ্ধে

আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

যোগাযোগ করলে মোবারক মাষ্টারকে না পেয়ে তার ছেলে বাবু জানান, যেসব

ব্যক্তির কাছ থেকে আমার বাবা টাকা নিয়েছে আগামী মাসে তাদের টাকা

পরিশোধ করা হবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451