নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া ও বড়াইগ্রাম উপজেলার শতাধিক বেকার যুবকদের
কাছে থেকে বনশ্রী প্রকল্পে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে
উধাও হয়েছে একটি প্রতারক চক্র।
ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায়, গুরুদাসপুর উপজেলার তেলটুপি গ্রামের মৃত আনছার
আলীর ছেলে এবং কুসুম হাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক
মোবারক হোসেন বনশ্রী প্রকল্পে রাস্তায় গাছ লাগানোর লোক নিয়োগ দেওয়ার
জন্য বেকার যুবকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। ইতিপূর্বেও তার
বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে বনশ্রী প্রকল্পের জিএম
পরিচয় দিয়ে কয়েকজন সহযোগিদের নিয়ে গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা
ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের নাছির, সাত্তার, খবির, কামিরুল, গোলাম, জোহা,
মোতালেব, কান্তপুর গ্রামের আশরাফুল, ফিরোজ, রুবেল, সুমন, হাসমত, জাহিদুল,
আশরাফুল, খায়রুল, রফিকুল, রব্বেল, নয়ন, রহিম হুজুর, পুঠিমারী গ্রামের নাজমুল,
সোহেল, রবিন, সিংড়া উপজেলা এবং বড়াইগ্রাম উপজেলা মিলে শতাধিক বেকার
যুবকদের কাছ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছে বলে
ভুক্তভোগিরা জানান।
কুসুম হাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি
গত ৪/৪/২০১৬ তারিখে যোগদান করার পর থেকেই মোবারক হোসেন বিদ্যালয়ে
আসেন না। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে জানানো হলে তার বেতন বন্ধ হয়ে
যায়। সে কোথায় আছে তিনি জানেন না।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, মোবারক হোসেন
মাষ্টার বেশ কিছু দিন ধরে স্কুলে অনুপস্থিত থাকার কারনে তার বেতন-ভাতা বন্ধ করা
হয়েছে। তাকে কোথায়ও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সে স্কুলে এলে তার বিরুদ্ধে
আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
যোগাযোগ করলে মোবারক মাষ্টারকে না পেয়ে তার ছেলে বাবু জানান, যেসব
ব্যক্তির কাছ থেকে আমার বাবা টাকা নিয়েছে আগামী মাসে তাদের টাকা
পরিশোধ করা হবে।