শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জয়পুরহাটে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার শীর্ষে নাজমা খানম রুপালি পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ ঈদযাত্রায় জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু                    কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় ইনসুরেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে – খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী        ঈদযাত্রায় স্বস্তি: নির্ধারিত ভাড়ায় চলাচল, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা—গাবতলীতে সড়ক মন্ত্রীর পরিদর্শন দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া মিরপুরে ছাত্রদল নেতা আশরাফুল হোসেন মামুনের সেহেরি আয়োজনে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা

জাতীয় অধ্যাপক এম আর খান চলে গেলেন

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৬
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে

 

ঢাকাঃ

জাতীয় অধ্যাপক ও বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ এম আর খান আর নেই। আজ শনিবার বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

এম আর খান নামে সর্বাধিক পরিচিত জাতীয় অধ্যাপকের পুরো নাম মোহাম্মদ রফি খান।

এম আর খানের ব্যক্তিগত সহকারী এস এম সেলিম জানান, দীর্ঘ আট মাস তিনি সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২১ দিন ধরে তিনি ছিলেন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)।

আগামীকাল সকাল ১০টায় সেন্ট্রাল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জাতীয় অধ্যাপকের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর দাফন অনুষ্ঠিত হবে গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায়।

দীর্ঘদিন ধরে দেশের শিশুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিয়ে কাজ করেছেন এম আর খান। নিজের পেনশনের টাকায় গড়ে তোলেন ডা. এম আর খান ও আনোয়ারা ট্রাস্ট। এ ট্রাস্ট থেকে শিশুস্বাস্থ্য ও শিক্ষায় অনুদান, হাসপাতাল ও স্কুল প্রতিষ্ঠা, মেধাবী ও গরিব শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হয়।

১৯২৮ সালের ১ আগস্ট সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহণ করেন জাতীয় অধ্যাপক এম আর খান। ১৯৫২ সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন তিনি। ১৯৫৬ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। সেখানে এডিনবার্গ স্কুল অব মেডিসিনে ভর্তি হন। পরে এডিনবার্গের রয়েল কলেজ অব ফিজিশিয়ান থেকে এমআরসিপি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৮ সালে এডিনবার্গ থেকে ফেলো অব রয়েল কলেজ অ্যান্ড ফিজিশিয়ানস (এফআরসিপি) ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৬২ সালে দেশে ফিরে আসেন এম আর খান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দেন। ১৯৬৪ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৯ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে শিশু বিভাগে যোগ দেন। ১৯৭০ সালে তিনি অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৯ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন এম আর খান। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে। শিশুস্বাস্থ্য নিয়ে তাঁর নয়টি একাডেমিক গ্রন্থ ও বহু প্রবন্ধ আছে, যা দেশে ও বিদেশে সমাদৃত।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451