এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট অফিস : আত্মসমর্পণ করা সুন্দরবনের আতঙ্ক দস্যু ‘সাগর বাহিনী’র প্রধান মো. আলমগীর শেখ ওরফে সাগর সহ ১৩ সদস্যকে বাগেরহাট জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে আত্মসমর্পণ করা দস্যুদের বাগেরহাটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক পপি আফসানা তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
এরা হলেন – সাগর বাহিনীর প্রধান মো. আলমগীর শেখ ওরফে সাগর(৩৫), মোঃ কামরুল ফকির (২৭), মো. আব্দুল মালেক (৩৮), মো. কাদের শেখ (৩৮), (৫) মো. হাফিজুর রহমান শেখ (৪৬), মো. কাবীর সরদার (৩৪), মো. দেলোয়ার শেখ (৩৮), মো. হাসান সরদার (২২), মো. নান্না ফকির (২৯), মো. তৌহিদুল ইসলাম (৪৩), মো. রাজু শেখ (২৮), মো. লিটন হাওলাদার (৩৪), (১৩) মো. তারিকুল গাজী (৩২)।তাদের সবার বাড়ি বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায়। আত্মসমর্পণ করা দস্যুরা ২০টি দেশি-বিদেশি আগ্নেঅস্ত্র এবং ৫৯৬ রাউন্ড বিভিন্ন প্রকার গোলাবারুদ জমা দেয়।
র্যাব-৮’র উপ-অধিনায়ক মেজর আদনান জানান, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অঙ্গীকার করে বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে র্যাবের মাধ্যমে বরগুনা সার্কিট হাউজ মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। ওই দিন সন্ধ্যায় র্যাব-৮ এর উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) বিদ্যুৎ কুমার রায় বাদী হয়ে শরণখোলা থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করে জমা দেওয়া অস্ত্রশস্ত্রসহ দস্যুদের থানায় হস্তান্তর করেছে।’
এনিয়ে চার মাসে সুন্দরবনের চারটি দস্যু দল ‘মাস্টার বাহিনী, মজনু বাহিনী, ইলিয়াস বাহিনী’র ৩৪ দস্যু স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে র্যাবের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করলো।