শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রীয় সম্মান গার্ড সর্বস্তরের শ্রদ্ধায় রণেশ মৈত্রের শেষকৃত্য সম্পন্ন বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় শারদীয় দুর্গোৎসব সত্য-সুন্দরের আলোয় ভাস্বর হয়ে উঠুক : রাষ্ট্রপতি প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন সানজিদা-কৃষ্ণা-রিতুপর্ণারা রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বৃহস্পতিবার বন্ধ বাংলাদেশকে বৈদেশিক পরিবর্তনশীল সুদের ঋণ বেড়ে চলেছে রাঙামাটির পাহাড়ে সাফজয়ীদের অন্য রকম সংবর্ধনা, আলো ছড়ানো পথে পাঁচ মেয়ে নাড়িয়ায় মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শুভসংঘের কমিটি জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর সীমান্ত থেকে ৪টি স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক নারী ক্রিকেট দলেও সিনিয়রদের ক্যারিয়ার শেষের পথে? ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিংয়ে পারফর্ম করে সাকিব, হলেন ম্যাচসেরা

জাতীয় সংসদের উপনেতা, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর প্রথম জানাজা সম্পন্ন

অনলাইন ডেক্স
  • আপডেট সময় সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদের উপনেতা, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আজ সোমবার (১২ ‌সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ১৫মিনিটে তার নিজ নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি মাঠে জানাজা সম্পন্ন হয়।

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাজা পড়ান নগরকান্দা মদিনাতুল উলুম মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা ইসমাতুল্লাহ কাসেমী।

এর আগে গত রাত ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকার সিএমএইচে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

 

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৫৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলের হাল ধরেন। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর তাঁর পাশে থেকে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে তিনি অনন্য ভূমিকা রাখেন।

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গঠন করা পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

সাজেদা চৌধুরী ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালে কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন। অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধে।

সাজেদা চৌধুরী ১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক, ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্লস গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার ছিলেন। তাঁর জন্ম ১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরা জেলায় মামার বাড়িতে। তাঁর পিতা সৈয়দ শাহ হামিদ উল্লাহ এবং মাতা সৈয়দা আছিয়া খাতুন। শিক্ষাজীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর স্বামী রাজনীতিবিদ এবং সমাজকর্মী গোলাম আকবর চৌধুরী। ২০১৫ সালের ২৩ নভেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৭৪ সালে গ্রামীণ উন্নয়ন ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেসকো ফেলোশিপ পান। একই সময় তিনি বাংলাদেশ গার্ল গাইড অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার হিসেবে সর্বোচ্চ সম্মানসূচক সনদ ‘সিলভার এলিফ্যান্ট’ পদক লাভ করেন। ২০০০ সালে তাঁকে ‘ওমেন অব দি ইয়ার’ নির্বাচিত করে আমেরিকান বায়োগ্রাফিক্যাল ইনস্টিটিউট। ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের এই কাণ্ডারির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরসহ অন্যান্য নেতারাও।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451