বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অগ্নিকাণ্ডে দোতলার জানালার গ্রিল কেটে নেমেছিলেন দোকানি মোস্তফা

অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ মোস্তফা ছয়তলাবিশিষ্ট হাজি মুসা ম্যানশনের দোতলায় সপরিবার থাকেন। আগুন লাগার পর জানালার গ্রিল কেটে নিচে নেমে আসেন। এরপর থেকে গা ঢাকা দেন। আর মোস্তাফিজুর সেই রাতে কেরানীগঞ্জে ছিলেন। তিনিও ঘটনার পর গা ঢাকা দেন।

আরমানিটোলায় হাজি মুসা ভবনে অগ্নিকাণ্ডের মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাঁরা হলেন মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ মোস্তফা। দুজনেরই ভবনের নিচতলায় রাসায়নিকের দোকান ছিল। র‌্যাব আজ মোস্তাফিজুরকে বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থেকে ও মোহাম্মদ মোস্তফাকে উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করে।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন কারওয়ান বাজারের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ খবর জানান।

২৩ এপ্রিল ভোরে পুরান ঢাকার আরমানিটোলার হাজি মুসা ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। গতকাল রোববার পর্যন্ত ওই ঘটনায় পাঁচজন মারা গেছেন। ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্যসহ আহত হয়েছেন ২৫ জন। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বংশাল থানায় মামলা করে। এই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি এঁরা দুজন। ভবনমালিক মোস্তাক আহমেদ চিশতি এখনো পলাতক।

মোস্তাফিজুর রহমানের দোকানের নাম মঈন অ্যান্ড ব্রাদার্স, মো. মোস্তফার দোকানের নাম মেসার্স আরএস এন্টারপ্রাইজ। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানিয়েছেন তাঁরা পাঁচ-সাত বছর ধরে রাসায়নিকের ব্যবসা করেন। রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থ মজুতের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেননি তাঁরা।
র‌্যাব জানায়, এজাহারভুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ চলছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451