গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৫ সালে মোহাম্মদ সুলাইমান নামে
একছাত্র আইন বিভাগে ভর্তি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে মোহাম্মদ
সুলায়মান রাজনীতি ও সাংস্কৃতি বিষয়ে খুব অল্প দিনেই
জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবর্না
নামে একজন ছাত্রী দূর্ঘটনায় কবলিত হয়। গোটা বিশ্ববিদ্যালয়
সুবর্নাকে বাঁচাতে বর্তমান ভিসিকে দ্রুত অনুরোধ করে।
সুর্বনার অবস্থার অবনতিতে ছাত্র সমাজ আন্দোলন করে। তাকে
উন্নত চিকিৎসার জন্য। পরবর্তীতে ছাত্র/ছাত্রীদের দাবি পুরন করে
তাকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,
ভিসির একটা গোপন রাগ থেকে যায় মোহাম্মদ সুলাইমানের
উপর।
মোহাম্মদ সুলায়মান ২য় বর্ষে পরীক্ষার আগে জানতে পারে তাকে
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। মোহাম্মদ সুলায়মান
দফায় দফায় তার অন্যায়ের কারন জানতে চেষ্টা করেছে। বার বার ক্ষমা
প্রার্থনা করেছে কিন্তু তার বহিস্কার আদেশ বাতিল হয় নাই।
মোহাম্মদ সুলায়মান অপেক্ষা করে পরবর্তী বছর পরীক্ষা দিয়ে পাশ
করবে কিন্তু এ বছরও তাকে পুরাতন আদেশ নতুন করে বহাল রাখে।
কেটে গেলো ২ বছর এখনও মোহাম্মদ সুলায়মানের বহিস্কার আদেশ
বাতিল হয় নাই।
স্বপ্নের জীবন মোহাম্মদ সুলায়মানের এখন নষ্ট প্রায়। কোথায়
মুখ দেখাবে কি ভবিষ্যত তার। একজন শিক্ষক ছাত্রকে কেন ক্ষমা করতে
পারবে না। কি অন্যায় তার? কেন সুলায়মানের জীবনটা ধ্বংশ করবে।
শিক্ষক মহান বলে মানুষ গড়বে বলে তাদের আদর্শ নীতি যদি হয়
ছাত্রদের জীবন নষ্ট করা তবে তার বিরুদ্ধে আপনাদের প্রতিবাদ হোক
সর্বচ্চ। মোহাম্মদ সুলায়মান এ সমাজের কাছে বিচার
প্রার্থনা করছে।
মোহাম্মদ সুলায়মান বলেন, আমি ব্যক্তিগত ভাবে ভিসি স্যার কে
বার বার অনুরোধ করেও কোন ফল পাই নাই। আমাকে মাফ করে দিতে
বার বার অনুরোধ করলেও আমাকে মাফ করে নাই ভিসি স্যার।
মোহাম্মদ সুলায়মান জীবন ধ্বংশ না করার জন্য ভিসি সাহেবকে
অনেকেই অনুরোধ করেছেন কিন্তু তিনি কারোর অনুরোধ রাখেন
বলেও জানায় মোহাম্মদ সুলায়মান ।
মোহাম্মদ সুলায়মান ক্ষমা ভালবাসায় মানুষের মতো মানুষ হয়ে
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে এদেশের সুনাম উজ্বল করবে।
সুলায়মানের ক্ষমা কেন হবে না ভিসি স্যার? এমন প্রশ্ন এখন
সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের মনে। একজন সহপাঠির জীবন বাচাতে চেষ্টা
করে তার জীবনটা নষ্ট হবে এ কেমন কথা। তাই অচিরেই মোহাম্মদ
সুলায়মানের উপর আরোপিত বহিস্কার আদেশসহ সকল আইন তুলে
নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীসহ
অভিবাবক মহল।