সালেকিন মিয়া সাগর,চুৃয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :
চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা
পুলিশ ফাঁড়ির আইসি এসআই আসাদ মাদক বিরোধী সফল অভিযান
চালিয়ে পীরপুরকুল্লা গ্রাম থেকে ৪২ কেজি গাঁজা
সহ একই পরিবারের তিনজনকে আটক করেছে।
গতকাল শক্রবার রাত সাড়ে ৮ দিকে এই মাদক
বিরোধী অভিযান চালনা হয়েছে।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকরাম
হোসেনের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের
ভিত্তিত্বে কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির আইসি এসআই
আসাদুর রহমান আসাদ,এএসআই মাসুদ রানা, এএসআই
শাহজালাল,এএসআই আবুল কাশেম সঙ্গীয় ফোর্স
নিয়ে মাদক বিরোধী সফল অভিযানে
পীরপুরকুল্লা গ্রামের মখোলা পাড়ার মহাব্বতের
ছেলে রফিকুলের বাড়ীর গোয়ালঘর থেকে
তিন বস্তা/৪২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে।গাঁজা
উদ্ধারের সময় ফাঁড়ি পুলিশ রফিকুল তার ও কলেজ
পড়ুয়া ছেলে শাহ আলমকে আটক করে।
রফিকুলের ছেলে শাহ আলম নিজেকে নির্দোষ
দাবী করে বলে আমি গাঁজার ব্যাপারে কিছু জানি না
তবে আমার বাবা সব বলতে পারবেন বলে জানান।
এসময় রফিকুল জানান গাঁজার আসল মালিক
পীরপুরকুল্লার মখোলাপাড়ার মাদক স¤্রাট বহু
অপকর্মের হোতা ছিনতাই মামলার অন্যতম আসামী
হাসেল মন্ডলের ছেলে কায়জার।বহু অপকর্মের
হোতা মাদক স¤্রাট কায়জার ইতিপূর্বেও সীমান্তে
বিজিবির হাতে আটক হয়েছে।পরে আবারো
কায়জারের ফেন্সিডিল সহ আলমসাধুর ড্রাইভার আটক
হলেও সে দফা পালিয়ে রক্ষা পায় এই মাদক স¤্রাট
কায়জার।কায়জার বারবার অপকর্ম করলেও অদৃশ্য
ক্ষমতার তদবীরের বলে থাকছে ধরাছোয়ার
বাইরে।
গাঁজা উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রর্ত
ছুটে আসেন দামুড়হুদা -জীবননগর সার্কেলের
সিনিয়ার সহকারি পুলিশ সুপার কলিমুল্লাহ তিনি
বলেন,আটককৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে যদি
কায়জারের নাম উঠে আসে তবে তাকে আটক
করে আইনের আওতায় নেওয়া হবে অপরাধী
যেই হোক কোন ছাড় দেওয়া হবেনা।
দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকরাম
হোসেন জানান,পুলিশ সুপার মাহাবুবুর রহমান পিপিএম
স্যার চুয়াডাঙ্গা জেলাকে মাদক মুক্ত করার জন্য যে
নির্দেশ প্রদান করেছেন তার ধারাবাহিকতায় চলমান
অভিযান।এবং এই অভিযানের ধারাবাহিকতা অব্যহত
রয়েছে।