বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঝিনাইদহে ভুল অস্ত্রোপচারে প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ, ক্লিনিক ভাঙচুর

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৭
  • ২৮৯ বার পড়া হয়েছে

মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ভুল অপারেশনে আকলিমা খাতুন (৩৫) নামে এক প্রসূতির
মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ০৪.১১.২০১৭ ইং শনিবার বেলা সাড়ে
১১টার দিকে কালীগঞ্জ মেইন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হাসনা নামের একটি বেসরকারি
ক্লিনিকে তিনি মারা যান। এ সময় রোগীর স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে ক্লিনিকের
অফিসরুম ভাঙচুর করেন। ক্লিনিকে ভর্তি থাকা রোগীরাও অন্যত্র চলে যায়।
আকলিমা কালীগঞ্জ পৌরসভার আড়পাড়া গ্রামের মাজেদুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি ওই
ক্লিনিকে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। বাচ্চাটি সুস্থ আছে।আকলিমার
স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে প্রসব বেদনা উঠলে তাকে
স্থানীয় বেসরকারি হাসনা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে ডা.
প্রতাপ কুমার অস্ত্রোপচার করেন। এরপর থেকে তার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। কিন্তু ক্লিনিক
কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তারকে অনেকবার বলা সত্ত্ধেসঢ়;বও তারা গুরুত্ব দেন না। এখানকার
নার্সরাও অনভিজ্ঞ। ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আকলিমা
মারা যান। আকলিমার স্বামীর বড় ভাই মাসুদুর রহমান পূর্বপশ্চিমকে জানান,
ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা খুবই খারাপ। অপারেশনের পর থেকে রোগীর অবস্থা অবনতি
হতে থাকলে বার বার ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিককে জানানোর পরও তারা কোনো ব্যবস্থা
না নেওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শনিবার সকালে আকলিমা মারা যান। সময়মতো
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে হয়তো বা তাকে বাঁচানো যেত। এ বিষয়ে থানায়
অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এদিকে প্রসূতির
মৃত্যুর পর থেকে ক্লিনিকের মালিক আব্দুর রহমান পলাতক রয়েছেন। তার ব্যক্তিগত
মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। একইভাবে ডা.
প্রতাপ কুমারের মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব
হয়নি। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান খান বলেন, খবর পেয়ে
আমি নিজে ক্লিনিকে গিয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
নিবো।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451