রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঝিনাইদহে আঙ্গুল বিহীন পরিবার

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

 

মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়া এলাকায় আঙ্ধসঢ়;গুল বিহীন পরিবারের সন্ধান
মিলেছে। ওই পরিবারের দুই সন্তান ও গৃহকর্তার কোন আঙ্গুল নেই। জন্মের পর
থেকেই হাত ও পায়ে আঙ্গুল ল ছিল না গৃহকর্তা খোয়াজ উদ্দীনের। তার পিতা ও
দাদারও আঙ্গুল ছিল না। বংশপরস্পরার অমোঘ নিয়মে তাই খোয়াজ উদ্দীনের মেয়ে
সাবিনা খাতুন ও ছেলে মাসুদ হোসেন মুছার হাত পায়েও আঙ্গুল নেই। আঙ্গুল
বিহীন অবস্থায় মেয়ে সাবিনা পড়ছেন কলেজে। আর ছেলে মাসুদ হোসেন মুছা
পিতার দরিদ্র সংসারে হাল ধরতে কাজ করেন কালীগঞ্জ শহরের ফারুক লাইব্রেরীতে।
হাতে পায়ে আঙ্গুল না থাকায় খোয়াজ উদ্দীনকেও মানুষ কাজে ডাকে না। ফলে
পরিবারটি আঙ্ধসঢ়;গুল বিহীন অবস্থায় সরকারী বস্তিতে অতিকষ্টে দিন যাপন করছেন।
সরেজমিন দেখা গেছে কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়ার ঘিঞ্জি পল্লীতে আঙ্গুল বিহীন
পরিবারটির বসবাস। মাথা গোজার জন্য নিজস্ব কোন জমি নেই। সরকারী খাস
জমিতে বিদ্যুৎ বিহীন পরিবেশে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করেন খোয়াজ
উদ্দীন। দারিদ্রতার সব চিহ্ন লেগে আছে দিন মজুর খোয়াজ উদ্দীনের বাড়িতে। মেয়ে
ও নিজের প্রতিবন্ধি ভাতার টাকায় সংসার চলে খোয়াজের। আর পরের বাড়িতে ঝি এর
কাজ করেন স্ত্রী রিজিয়া। কলেজ ছাত্রী সাবিনা খাতুন কিছুটা অভিমানের সুরে
জানালেন এ যাবত বহু ছবি দিয়েছি। কেও একটি চাকরীও দেয় না। প্রতিবন্ধি
খোয়াজের স্ত্রী রিজিয়া খাতুন জানান, প্রতিবন্ধি ভাতায় তাদের আর সংসার চলে
না। তার ছেলে বা মেয়ের একটি সরকারী চাকরী হলে আমরা বেঁচে যেতাম। রিজিয়া
জানালেন তার শ্বশুরসহ উর্ধ্বতন সব পুর্ব পুরুষের হাত পায়ে কোন আঙ্গুল ছিল না।
সেই থেকে অভিশপ্ত জীবন বয়ে বেড়াচ্ছেন পরিবারটি। কালীগঞ্জ পৌরসভার ৭ নং
ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মুক্তার হোসেন জানান, পরিবারটি খুবই হতদরিদ্র। তাদের জন্য
রাষ্ট্রের কিছু একটা করা উচিৎ। কালীগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা
জুলফিকার আলী জানান, আঙ্ধসঢ়;গুল বিহীন পরিবারের দুই সদস্যকে আমরা প্রতিবন্ধি
ভাতা দিচ্ছি। তাছাড়া মেয়ে সাবিনা ও ছেলে মুছাও স্কুল জীবন থেকে স্কুলবৃত্তি
পেয়ে আসছিলো। ছেলেকেও আমরা প্রতিবন্ধি ভাতা দেবার ব্যবস্থা করছি। তিনি
আরো বলেন সমাজসেবা অফিসের পক্ষ থেকে অসহায় পরিবারটির জন্য যা যা করার
তাই করা হবে। আঙ্গুল বিহীন পরিবারের সাথে যোগাযোগঃ ০১৮৫২-৮৮৯৯০৩।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451