রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কালিগ্রাম
ইউপি’র ব্লাড ক্যান্সারে আকান্ত হয়ে ভূগছেন স্কুল পড়–য়া দ্বিতীয়
শ্রেণীর ছাত্র মো: আলিপ হোসেন (৮)। অসহায় ছেলেটিকে বাঁচাতে
সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসুন। আলিপ হোসেনের বাবা মো: ফারুক
হোসেন পেশায় একজন দিনমজুর। গ্রামের লোকজনের বা বিভিন্ন গ্রামের
লোকজনের বাড়িতে কৃষি কাজ করে সংসার চালায় তিনি। জায়গা জমি ও
অন্যান্য সম্পদ বলতে তার মাথা গোজার ঠাই বাড়ি আর এই একমাত্র সন্তানটা
ছাড়া কিছুই নেই। তাই তাকে নিয়ে তার বাবার চোখেমুখে অনেক স্বপ্ন।
কিন্তু গত ৬মাস ধরে ছেলের অসুস্থতায় বাবা যেন ক্রমশই ভেঙ্গে পরছে। গত
৩মাসে ছেলের চিকিৎসার জন্য গ্রামের ও বাহিড়ের লোকজনের কাছে হাত
বাড়িয়ে খরচ যোগান দিয়ে নিষ্য প্রায় আলিপ হোসেনের বাবা। তাই
ছেলেকে বাচাঁতে এই রিপোর্টটির মাধ্যামে সরকারের কাছে সাহায্যের
আবেদন করছেন আলিপ হোসেনের বাবা-মা। আলিপ হোসেন উপজেলার
মাধায়মুড়ি দক্ষিনপাড়া গ্রামের দিনমজুর মো: ফারুক হোসেনের ছেলে।
আলিপ হোসেন মাধায়মুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল পড়–য়া
দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র।
২০১৭ সালে হঠাৎ আলিপ হোসেনের অসুস্থতার সূত্রপাত ঘটে। পরে নওগাঁ
থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয় কিন্তু কী রোগ হয়েছে
তার কোন ডাক্তার বলতে পারেনি। তারপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ এন্ড
হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ডাক্তাররা আলিপ হোসেনের ব্লাড ক্যান্সার
হয়েছে বলে জানান। গত ৩মাস ধরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরেছে আলিপ
হোসেন। বর্তমানে সেখানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের
ক্যান্সার বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে নিজ বাড়িতে রয়েছে। ডাক্তার এমনো
কথা বলেন আর ৩মাস তাকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ না হলে ঢাকায়
চিকিৎসা নিতে হবে আলিপ হোসেনের। গত ৪মাসে নওগাঁসহ বিভিন্ন
জায়গায় চিকিৎসা করতে ১লক্ষাধিক টাকা লেগেছে। এতে করে আত্মীয়
স্বজন ভাই বোনসহ বিভিন্ন জনের কাছে ঋণগ্রস্থ হয়ে পরেছেন তিনি
বলে জানিয়েছেন আলিপ হেসেনের বাবা মো: ফারুক হোসেন ও মা
মোছা: মানুফা বেগম।
আলিপ হোসেনের বাবা দিনমজুর মো: ফারুক হোসেন ও মা মোছা:
মানুফা বেগম জানান, তার ছেলের ২১ দিন পরপর রাজশাহীতে চিকিৎসা
নিতে গেলে ২০-২২হাজার টাকা খরচ লাগে তার বাবার পক্ষে তা সম্ভব হচ্ছে
না বলে স্থানীয় মেম্বার, ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ইসরাফিল
আলমসহ আমাদের সমাজের দানশীল মানুষেরা ছেলেটির চিকিৎসার জন্য
এগিয়ে অসলে ছেলেটিকে সম্পূর্ণ ভাবে বাঁচানো সম্ভব হবে। হাত
বাড়িয়ে দিতে চাইলে উল্লেখিত তার বাবার মোবাইন নম্বার ও (বিক্যাশ নং
০১৭৮১-৬৬৫৯১২) এ সাহার্য্য পাঠাতে পারবেন অথবা সরেজমিনে নওগাঁর
রাণীনগর উপজেলার মাধায়মুড়ি দক্ষিনপাড়া গ্রামের মো: ফারুক হোসেনের
বাড়িতে এসে সাহায্য করতে পারবেন।