শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পৃষ্ঠপোষক চায় বিলুপ্ত বাদ্যযন্ত্র গবেষক গোপালগঞ্জের সুনির্মল দাস

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৯ জুন, ২০১৭
  • ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গ্রামবাংলা থেকে হারিয়ে

যাওয়া নানা বাদ্যযন্ত্র পুনরায় ফিরিয়ে এনে সে গুলোকে

হালনাগাদ করেছেন গোপালগঞ্জের গান্ধিয়াসুর গ্রামের

যুবক সুনির্মল দাস বাপী। পারিবারিক টানাপোড়েনের

মধ্যেও পড়াশুনার খরচ চালাতে গিয়ে বৈদ্যুতিক মিস্ত্রির

কাজ করার পাশাপাশি তিনি বাড়িতে বসে অবসর সময়ে

হারিয়ে যাওয়া বাধ্যযন্ত্র গুলো নিয়ে রীতিমত গবেষণা

করছেন। তার দাবী, এ সব বাদ্যযন্ত্রের উৎকর্ষ সাধন তিনি

করেছেন।

খোমক, গুপীযন্ত্র সারিন্দা, পাতাবিন, মেরাকাচ, চটা,

কাহন, সরজ, কাঠ চেকার, মন্দিরাসহ প্রায় ৪০ রকমের বিলুপ্ত

প্রায় বাদ্যযন্ত্র দেখে ও শুনে নিজে হাতে তৈরী করেছেন

গ্রামের যুবক সুনির্মল দাস বাপী। বর্তমানে একতারা,

দোতারা, সারিন্দায় তিনি বৈদ্যুতিক সংযোগ দিয়ে

আধুনিকায়ন করেছেন। তার তৈরীকৃত যন্ত্রগুলোর টিউন

আবহাওয়ার তারতম্য সহজে নষ্ট হয় না। যা বাজারে বিক্রি

হওয়া বাদ্যযন্ত্র গুলো থেকে আলাদা। গবেষণা কাজের কারণে এ

সব বাজাতেও এখন তিনি বেশ পটু। বাজারে বিক্রি হওয়া

একতারার সঙ্গে বাপীর তৈরী একতারার গুনগত পার্থক্য

আছে। রাবণবিনা, সারেঙ্গীর মতো বাদ্যযন্ত্র তো

গ্রামবাংলা থেকে হারিয়ে গেছে। এগুলো সে ফিরিয়ে

এনেছে। তার একাগ্রতা ও নিষ্ঠার কারনে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র

নিয়ে গবেষণা করে সে আজ সফল হয়েছে। সুনির্মল দাস

বাপীর এই গবেষণার মুখ্য উদ্দেশ্য হলো হারিয়ে যাওয়া

বাদ্যযন্ত্র আবার ফিরিয়ে আনা।

হারিয়ে যাওয়া বাদ্যযন্ত্রের গবেষক সুনির্মল দাস বাপী

বলেন, এসব যন্ত্রের উৎকর্ষ সাধানও তার হাতেই এমন দাবী

তার। গত ১০ বছর আগে বাড়ির পাশে এক বয়জেষ্ঠের

সার্নিধ্যে এসে তিনি এ সব বাদ্যযন্ত্র তৈরী ও গবেষণার

কাজে ঝুকে পড়েন। এরপর থেকে বাড়িতে বসে অবসর সময়ে

বাদ্যযন্ত্র নিয়ে তিনি গবেষণা করেন। অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক

জীবনানন্দ কীর্ত্তনিয়াতার এই গবেষষণাকে এগিয়ে নিতে

হলে শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলা একাডেমির মতো

প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। ওই আবিস্কার ও

গবেষণার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিও দরকার। সেই সঙ্গে

অর্থনৈতিক সহায়তাও জরুরী।

বাদ্যযন্ত্রের এই তরুণ গবেষক এখন সরকারি বিভিন্ন

প্রতিষ্ঠানের সহায়তা চান। চান সরকারি পৃষ্টপোষকতা।

তার দাবী সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তিনি তার গবেষণা

কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। গ্রাম বাংলা থেকে হারিয়ে

যাওয়া বাদ্যযন্ত্র গুলো তিনি আবার বাংলার সাধারন মানুষের

কাছে ও সংস্কৃতিসেবীদের কাছে পৌঁছে দিতে

পারবেন।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451