বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আশুলিয়ার বিএনপি নেতা হেলাল উদ্দিন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক শফিক সাগর: সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ আশুলিয়ায় গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসায় ফুলেফেঁপে উঠছে কারবারিরা লাখ লাখ টাকার মালিক আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে দুই ডাকাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্যসহ ৫জন গ্রেফতার ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় “জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের” শুভ উদ্বোধন আশুলিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত! রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় নিখোঁজ অর্ধশশতাধিক মানুষ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত ও পুলিশ সংস্কারে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার আশ্বাস

কোটচাঁদপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবার বেহাল দশা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০১৭
  • ৩২৩ বার পড়া হয়েছে

 

 মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবার বেহাল দশা বিরাজ করছে। জোড়াতালি

দিয়ে চলছে সার্বিক চিকিৎসা কার্যক্রম। মূলত ডাক্তার সংকটই এখানকার প্রধান সমস্যা বলে

জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। যার ফলে সাধারন মানুষ ঠিকমত চিকিৎসা পাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে তাদের ছুটতে

হচ্ছে বিকল্প পথে প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে । হাসপাতালের আরএমও ডাক্তার আজিজুর রহমান জানান,

বর্তমান ডাক্তার সংকট প্রধান সমস্যা। ৫০ শয্যার জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সহ ২৭ টি পদের মধ্যে বর্তমান আছে

৬ জন। কনসালটেন্ট পদে একজনও নেই। মেডিকেল অফিসার ৬ জনের মধ্যে ৬ জনের মধ্যে ৪ জরুরী বিভাগে

পাল্টাপাল্টি ডিউটি করে। বাকি ২ জনের মধ্যে ১ নিয়মিত আউটডোরে রোগী আউটডোরে প্রায় ৬

শতাধিক রোগী আসেন। ১/২ জন ডাক্তারের পক্ষে সুষ্ঠুভাবে এসব রোগী দেখা সম্ভব হয় না। যার ফলে রোগীদের

সমস্যা ও অভিযোগ থেকেই যায়। তিনি জানান ৫০ শয্যা চালুর পর বর্তমানে টিএইচএ ডাক্তার মহিউদ্দীন

আন্তরিকভাবে উদ্যোগ নেন ওটি রুম চালু করার। কিন্তু কোন সার্জিক্যাল এনেস্থেসিস্ট না থাকায়

টিএইচএ নিজেই এনেস্থেসিয়া এর কাজ করেন। ডাক্তার বনি আমিন (মেডিক্যাল অফিসার) সার্জিক্যাল

ডাক্তারের দায়িত্ব নেওয়ায় সপ্তাহে একদিন (মঙ্গলবার) নির্ধারিত সময়ে সিজারিয়ান ও এপেন্ডিস অপারেশন

করা হয়। এছাড়া মেজর কোন অপারেশ করা যায় না। হাসপাতালে আগত রোগীদের অভিযোগ, এখানে

ঠিকভাবে ডাক্তারের সাক্ষাত পাওয়া কষ্টকর। আউটডোরে ২/১ জন ডাক্তার যাই রোগী দেখেন তাতে দীর্ঘ লাইন ও

সুষ্ঠুভাবে ডাক্তারের কাছে রোগের কথা জানানো সম্ভব হচ্ছে না। টিকিট কেটে দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে

থেকে অনেকেই শেষ পযন্ত ফিরে যায়। জরুরী বিভাগে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত কোন রোগী এলে ডাক্তার তাকে

দেখার আগেই ওয়ার্ড বয় এবং উপস্থিত অন্যান্য কিছু ব্যাক্তি (কথিত ক্লিনিকের দালাল) বলে বসেন, এখানে

হবে না, বাইরে নিয়ে যান। তারা ডাক্তারের দেখার সুযোগ পর্যন্ত দেয়না এবং কৌশলে ফুসলিয়ে ক্লিনিকে

নিয়ে যাওয়া হয়।…………চলবে

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451