মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সফট ড্রিঙ্কেও হতে পারে ক্যান্সার !

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
  • ৩২৫ বার পড়া হয়েছে

আপনি মদ্যপান বা ধূমপান করেন না। এমনকি অন্য কোনও রকম নেশা আপনার নেই। ব্যাস, এক্কেবারে নিশ্চিন্ত… ক্যান্সার আপনার শরীরে থাবা বসাতে কখনোই পারবে না। তবে দিনে এক কি দু’ক্যান ঠাণ্ডা পানীয় আপনার বড় প্রিয়। এতে মোটা একটু হতে পারেন, কিন্তু ক্যান্সার! নৈব নৈব চ! এখানেই আপনি এবং আপনার মতো আরও অনেকেই একটা মস্ত বড় ভুল করে ফেলছেন।

একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা সারা দিনে দুই বা তার বেশি ক্যান সফ্ট ড্রিঙ্কখেয়ে থাকেন তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যেকোনো রকম গাঢ় রঙের সফ্ট ড্রিঙ্কে মজুত থাকে ক্যারামেল কালার। এই ক্যারামেল কালার তৈরি করতে প্রয়োজন পড়ে ৪ মিথাইলিমিড্যাজল-এর (৪ এমইআই)। এই উপাদানই মানুষের শরীরে ক্যান্সারের কারণ।

জনস হপকিন্স সেন্টার ফর আ লিভাবেল ফিউচারের এক গবেষক কিভ নাচম্যান জানিয়েছেন, নিয়মিত এই ধরনের পানীয় খেলে ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই কারণেই প্রশ্ন উঠছে সোডাতে ক্যারামেল কালারিং-এর ব্যবহার নিয়ে। তবে তার মানে এই নয় যে প্রত্যেক গাঢ় রঙের পানীয়তেই এক মাত্রায় ৪ মিথাইলিমিড্যাজল থাকে। বরং বাস্তবে হয় ঠিক এর উল্টো।

এমনকি একই সংস্থার একই পানীয়তে ভিন্ন সময়ে আলাদা মাত্রায় ৪ মিথাইলিমিড্যাজল মজুত থাকতে পারে। ২০১৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কনজুমার রিপোর্টে প্রকাশিত ১১টি পানীয়র উপর করা সমীক্ষার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন গবেষকদের এক দল। সমীক্ষাটি প্রকাশিত হয়েছে একটি অনলাইন জার্নাল PLOS One-এ।

পানীয়তে ঠিক কত পরিমাণে ৪ মিথাইলিমিড্যাজল ব্যবহার করা যাবে তা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো নির্দেশ না থাকায়, ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাছে পিটিশন দায়ের করা হয়েছে, যাতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ৪ মিথাইলিমিড্যাজল ব্যবহারের মাত্রা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়।

 

সূত্র,HealthBarta


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451