শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

লালপুরে আমের ফলনে খুশি চাষী ও ব্যবসায়ীরা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১ জুন, ২০১৮
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে
Exif_JPEG_420

নাটোর জেলা প্রতিনিধি:-
এখন মধুমাস জৈষ্ঠ গাছ থেকে পাকা আম সংগ্রহ শুরু হয়েছে। চলতি মৌসুমে আমের ফলনে
সন্তুষ্ট নাটোরের লালপুর উপজেলার আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা। উত্তরাঞ্চলের অন্যতম পদ্মানদী বিধৌত
নাটোরের লালপুর উপজেলায় সম্প্রতি বানিজ্যকভাবে আম উৎপাদন শুরু হয়েছে। বাড়ির
আঙ্গিনায় ও বাগানগুলির গাছে গাছে ঝুলছে থোকায় থোকায় সবুজ আম। এ বছর আম
বিক্রয় করে লাভের মুখ দেখবেন এমনটিই আশা এই অঞ্চলের চাষী ও ব্যবসায়ীদের। যদিও গাছে
মুকুল দেখা দেওয়ার পর থেকে কয়েক দফায় কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক
বিপর্যয় হওয়ায় আম চাষী ও ব্যবসায়ীদের চোখে হতাশা দেখা দিয়ে ছিলো। বর্তমানে
আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবং আমের আশানুরূপ ফলন হওয়ায় এই অঞ্চলের চাষীদের চোখ
জুড়ে এখন শুধুই সোনালী স্বপ্ন দোলা দিচ্ছে। ইতিমধ্যে উপজেলার বাজার গুলিতে কিছু
কিছু আঁটি ও কলমের পাকা আম উঠতে শুরু করেছে। এ বছর আমের ফলনের পাশাপাশি বর্তমান
বাজার দর ও চাহিদা ভলো থাকায় খুশি এই অঞ্চলের আম চাষীরা।
সম্প্রতি সরেজমিনে উপজেলার, লালপুর, গোপালপুর, ওয়ালিয়া, ধুপইল, দুয়ারিয়া, কদমচিলান
ইউনিয়নের বাগান ঘুরে দেখাগেছে, বাগান গুলিতে গাছে গাছে সবুজ আম থোকায়
থোকায় ঝুলছে। আমের ভরে গাছগুলি মাটিতে নুয়ে পড়েছে। বাগানে শেষ সময়ের পরিচর্যার
কাজ শেষ এখন শুধু আম সংগ্রহ ও বাজারজাত করনের পালা। কিছু কিছু বাগানে ইতিমধ্যে
পাইকেরদাররা আম ক্রয় করতে দামা-দামি করছে। আবার অনেক বাগানে কিছু কিছু গাছ
থেকে পাকা আম সংগ্রহ শুরু হয়েছে।
এ সময় উপজেলার আম বাগানী সোহেল রানা বলেন, ‘আমার আড়াই বিঘা বিনন্ন জাতের
আমের বাগান আছে।বিগত দিনের তুলনায় এ বছর আমের ফলন আশানুরূপ ভালো হয়েছে। এ
বছর আমের চাহিদা ও দাম বর্তমানে ভালো থাকায় আম বিক্রয় করে আমরা লাভের মুখ দেখবো
বলে আশা করছি।’
আম চাষী শফিকুল ইসলাম মিল্টন বলেন,‘আমি ৯বিঘা হাড়িভাঙ্গা জাতের আমের চাষ
করেছি।এবছর আমার বাগানের আমের ফলন ভালো হয়েছে।বর্তমানে হাড়িভাঙ্গা আমের
চাহিদাও বাজার দর ভালো আছে আবহাওয়া ভালো থাকলে এ বছর আম বিক্রয় করে ভালো মুনাফা
আয় হবে।’
দিয়াড়াপাড়া গ্রামের আম চাষী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন ‘আমি ১৫ বিঘা বাড়ি-৪,
লক্ষণা, আ¤্রপালি, লেংড়া সহ বিভিন্ন প্রজাতির আমের বাগান করেছি। চলতি বছরে আমের
ফলন ভালো হয়েছে। এই পর্যন্ত আমের কোন প্রকার রোগোর আক্রান্ত হয়নি। শেষ পর্যন্ত
আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আম বিক্রয় করে লাভবান হওয়া যাবে।’
এই অঞ্চলের চাষকৃত আমের জাত গুলো মধ্যে, আ¤্রপালি, বাড়ি-৪, গোপালভোগ, খিরসাপাতি,
লক্ষনা, লেংড়া, মল্লিকা, ফজলি ও আশ্বিনী, হাড়িভাঙ্গা উল্লেখযোগ্য।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, উপজেলায় ১ হাজার ৭ শত ২০ হেক্টর জমিতে
বিভিন্ন জাতের আমের চাষ হয়েছে। এই সকল জমি থেকে ৮ হাজার ৬০০ মেক্টিক টন আম
উৎপাদনের লক্ষমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজার দর ধরা হয়েছে প্রায় ২৬
কোটি টাকা।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুল ইসলাম খাঁন বলেন, ‘এবছর উপজেলায় আমের
আশানুরূপ ফলন হয়েছে।শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এই উপজেলায় আমের বাম্পার
ফল হবে। এছাড়া এবছর বাজারে আমের চাহিদা ও মূল্য ভালো রয়েছে এতে উপজেলার আম চাষীরা
লাভবান হবে বলেও জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, উপজেলায় গাছ থেকে আম পাড়ার
নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও আমে রাসায়নিক পদার্থ মিশানো থেকে
বিরত রাখতে চাষী ও ব্যবসায়ীদের নিবীড়ভাবে পর্যাবেক্ষণে করছেন উপজেলা কৃষি বিভাগ।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451