বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু                    কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় ইনসুরেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে – খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী        ঈদযাত্রায় স্বস্তি: নির্ধারিত ভাড়ায় চলাচল, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা—গাবতলীতে সড়ক মন্ত্রীর পরিদর্শন দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া মিরপুরে ছাত্রদল নেতা আশরাফুল হোসেন মামুনের সেহেরি আয়োজনে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ  – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী                              আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে ৪টি সংগঠনের সভাপতির অংশগ্রহণ

পলাশবাড়ীর পূর্ব কুমারগাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ন ভবনে চলছে পাঠদান ॥ দুর্ঘটনার আশংকা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ৭ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে

 
গাইবান্ধা থেকে শেখ হুমায়ুন হক্কানী ঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার

পূর্ব কুমারগাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টির অতি পুরাতন জরাজীর্ণ

ভবনে চলছে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান। যে কোন মুহুর্তে বিদ্যালয়টির ভবন ধ্বসে

মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অথচ কর্তৃপক্ষের নজর নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ১৯৭৮ সালে বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। ১৯৯৪

সালে বিদ্যালয়টির তিনটি শ্রেণী কক্ষ ও একটি অফিস কক্ষ নিয়ে

বিদ্যালয়টি ভবন নির্মাণ করা হয়। যা এখন শিক্ষার্থীদের জীবনের

ঝুকিপূর্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভিভাবকরা জানান, একটু বৃষ্টি হলেই

শ্রেণী কক্ষগুলোর ছাদ চুঁইয়ে চুঁইয়ে কক্ষের ভেতর পানি জমে। অথচ বৃষ্টির

পানির মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় কাজ করতে হচ্ছে।

অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বিষয়টি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও কোন

সুফল পাওয়া যায়নি।

এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক রোকেয়া খাতুন জানান, বৃষ্টি আসলে আমরা

শিক্ষার্থীদের ক্লাশ বন্ধ রাখা হয়। পড়ে ছাত্রছাত্রীদের অফিস কক্ষে নিয়ে যাওয়া

হয়। ফলে বৃষ্টির সময়ে এই বিদ্যালয়ে লেখাপড়া বিঘিœত হয়। তবে তিনি

আরও উলেখ করেন, বিদ্যালয়টি একবারে ব্যবহারের অনুপোযোগি।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান জানান, বিদ্যালয়

ভবনটি দীর্ঘদিনের পুরাতন হওয়ায় ভবনটি ব্যবহার অনুপোযোগি হয়ে

পড়েছে। এব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষকে

জানানো হয়েছে। কিন্তু কোন সহায়তা পাওয়া যায়নি। 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451