বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পদ্মায় ধ্বসে পড়ছে সিসি ব্লক হুমকীর মুখে লালপুরের ৬ গ্রাম

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৭
  • ১৭৯ বার পড়া হয়েছে
????????????????????????????????????

 

মোঃ আশিকুর রহমান টুটুল,নাটোর জেলা প্রতিনিধি:
পদ্মা নদীতে তীব্র ভাঙ্গন না থাকলেও পানি বাড়ার সাথে সাথে নদীর তীর রক্ষায়
নির্মিত সিসি ব্লকের তৈরী নদী ভাঙ্গন রোধ ব্যবস্থা হুমকীর মুখে পড়েছে।
ইতিমধ্যেই প্রায় ৪৫ মিটার এলাকার সিসি ব্লক পদ্মা নদীতে ধ্বসে
পড়েছে। নুরুল্লাপুর ও আকছেদ মোড় এলাকায় ৪টি পয়েন্টে ধ্বস লক্ষ্য করা
গেছে। সোমবার (১৪ আগষ্ট) সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নাটোরের
নির্বাহী প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার ও লালপুর উপজেলা নির্বাহী
অফিসার নজরুল ইসলাম সিসি ব্লকের ধ্বস এলাকা পরিদর্শন করেন।
জানা গেছে, সিসি ব্লকের ধ্বস শুরু হওয়ায় নটোরের লালপুর উপজেলার নদী
তীরবর্তি পালিদেহা, গৌরীপুর, নুরুল্লাপুর, লক্ষীপুর, তিলকপুর ও নবীনগর
গ্রাম হুমকীর মূখে পড়ছে। আর এজন্য এলাকার লোকজন নদী থেকে
অবৈধভাবে বালি উত্তোলনকে দায়ী করছেন। তারা বলছেন, নদীর তলদেশ থেকে
বালি উত্তোলনের ফলেই সিসি ব্লকের নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে সিসি
ব্লক নদীতে ধ্বসে পড়ছে।
এলাকাবাসী জানায়, পদ্মা নদীর লালপুর উপজেলার নবীনগর, লক্ষীপুর, পালিদেহা, ও
গৌরীপুর এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হয়ে থাকে। এলাকার
প্রভাবশালী একটি মহল এ কাজের সাথে জড়িত। ফলে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে
সাহস পান না। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বালু মহল ইজারা না হলেও নদী
থেকে বালু ও ভরাট উত্তোলন থেমে থাকে না। প্রতি বছরই নদীর তলদেশ থেকে
বালু উত্তোলন করা হয়।
এদিকে উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানাযায়, বালু মহাল নিয়ে মামলা
থাকায় ২০০৯ সাল থেকে লালপুরের বালু মহাল ইজারা দেওয়া হয়নি। এছাড়া
পালিদেহা, নবীনগর, লক্ষীপুর এসব এলাকা বালু মহল হিসেবে ঘোষণা হয়নি।
ফলে ইজারা দেওয়ার কোন সুযোগ নেই।
নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার
সরকার জানান, পদ্মানদীর লালপুর অংশে নদীর তীর রক্ষা সিসি ব্লকের ৪৫ মিটার
ধ্বস লক্ষ্য করা গেছে। তবে তা বড় ধরনে কোন সম্যসা নয়। এব্যাপারে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুস্ক মৌসুমে নদীর তীরে অবৈধ ভাবে বালু
উত্তোলনের বিষয়টি তার জানা নেই বলে তিনি জানান।
লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল ইসলাম বলেন সিসি ব্লকের ভাঙ্গন
রোধে পানি উপন্নয়ন বোর্ড শিঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এই
মহুর্তে ভয়ের কিছু নেই।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451