বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মহেশপুরে কোচিং বাণিজ্য জমজমাট অসহায় অভিভাবকেরা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৭
  • ৩২১ বার পড়া হয়েছে

 

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি,

ঝিনাইদহের মহেশপুরে অধিকাংশ স্কুল গুলোতে কোচিং বাণিজ্য

জমজমাট অসহায় দরিদ্র শিক্ষার্থী অভিভাবকেরা কোন ভাবেই যেন বন্ধ

করা যাচ্ছে না কোচিং বাণিজ্য । স্কুলের শিক্ষকেরা ক্লাসে মনোযোগ

না দিয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং এ যেতে বাধ্য করছে। যেসব শিক্ষার্থীরা

কোচিং করে না পরীক্ষায় তাদের নম্বর কমিয়ে দেয়া হয়। একাধিক সূত্রে

প্রকাশ উক্ত এলাকায় অধিকাংশ স্কুলের শিক্ষার্থীদের এভাবে কোচিং এর

ফাঁদে ফেলেছেন শিক্ষকরা। এসব কোচিং বাজ শিক্ষকদের কাছে অসহায়

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা । সূত্র মতে আরো জানা যায় যে, অনেক ক্ষেত্রে

শিক্ষকদের কোচিং করতে সহায়তা করছেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি,

প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকরা । এর বিনিময়ে তারা কোচিং

বাজ শিক্ষকদের কাছ থেকে মাসোহারা পাচ্ছেন। এলাকাবাসী সূত্রে

প্রকাশ শিক্ষার্থীরা শুধু স্কুলে যাওয়া আসা করে আর পরীক্ষা দেয়। মুলত:

পড়াশুনা করতে হয় প্রাইভেট আর কোচিং এ । ব্যাচ ভিত্তিক একাডেমীক

কোচিং মডেল টেস্ট সহ বিভিন্ন স্টাইলে কোচিং করাচ্ছেন শিক্ষকরা ।

প্রশাসনের নজর এড়াতে কোচিং সেন্টারে কোন নাম ব্যবহার করা হচ্ছে

না। সূত্র মতে এলাকায় গড়পড়তা প্রায় সব স্কুলে একটি কক্ষে বা খোলা

আকাশের নিচে ৫০-৭০পর্যন্ত শিক্ষার্থী একই সাথে ক্লাস হয়। বেশির

ভাগ ক্ষেত্রেই শিক্ষকদের কাজ শুধুই পড়া দেওয়া এবং ২/৪জনকে তা ধরা । যদিও

প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের খসড়ায় কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতি মালা

অনুসরণ না করলে একজন শিক্ষককে দুই লক্ষ টাকা অর্থ দ- ও ছয় মাসের

কারাদ- কিংবা উভয়দ-ের বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু কোন নিয়ম নীতি

তোয়াক্কা না করেই এসব কোচিং বাজ শিক্ষকেরা দেদারছে চালিয়ে

যাচ্ছে তাদের কোচিং বাণিজ্য ।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451