ঝিনাইদহ প্রতিনিধি,
ঝিনাইদহের মহেশপুরে অধিকাংশ স্কুল গুলোতে কোচিং বাণিজ্য
জমজমাট অসহায় দরিদ্র শিক্ষার্থী অভিভাবকেরা কোন ভাবেই যেন বন্ধ
করা যাচ্ছে না কোচিং বাণিজ্য । স্কুলের শিক্ষকেরা ক্লাসে মনোযোগ
না দিয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং এ যেতে বাধ্য করছে। যেসব শিক্ষার্থীরা
কোচিং করে না পরীক্ষায় তাদের নম্বর কমিয়ে দেয়া হয়। একাধিক সূত্রে
প্রকাশ উক্ত এলাকায় অধিকাংশ স্কুলের শিক্ষার্থীদের এভাবে কোচিং এর
ফাঁদে ফেলেছেন শিক্ষকরা। এসব কোচিং বাজ শিক্ষকদের কাছে অসহায়
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা । সূত্র মতে আরো জানা যায় যে, অনেক ক্ষেত্রে
শিক্ষকদের কোচিং করতে সহায়তা করছেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি,
প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকরা । এর বিনিময়ে তারা কোচিং
বাজ শিক্ষকদের কাছ থেকে মাসোহারা পাচ্ছেন। এলাকাবাসী সূত্রে
প্রকাশ শিক্ষার্থীরা শুধু স্কুলে যাওয়া আসা করে আর পরীক্ষা দেয়। মুলত:
পড়াশুনা করতে হয় প্রাইভেট আর কোচিং এ । ব্যাচ ভিত্তিক একাডেমীক
কোচিং মডেল টেস্ট সহ বিভিন্ন স্টাইলে কোচিং করাচ্ছেন শিক্ষকরা ।
প্রশাসনের নজর এড়াতে কোচিং সেন্টারে কোন নাম ব্যবহার করা হচ্ছে
না। সূত্র মতে এলাকায় গড়পড়তা প্রায় সব স্কুলে একটি কক্ষে বা খোলা
আকাশের নিচে ৫০-৭০পর্যন্ত শিক্ষার্থী একই সাথে ক্লাস হয়। বেশির
ভাগ ক্ষেত্রেই শিক্ষকদের কাজ শুধুই পড়া দেওয়া এবং ২/৪জনকে তা ধরা । যদিও
প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের খসড়ায় কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতি মালা
অনুসরণ না করলে একজন শিক্ষককে দুই লক্ষ টাকা অর্থ দ- ও ছয় মাসের
কারাদ- কিংবা উভয়দ-ের বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু কোন নিয়ম নীতি
তোয়াক্কা না করেই এসব কোচিং বাজ শিক্ষকেরা দেদারছে চালিয়ে
যাচ্ছে তাদের কোচিং বাণিজ্য ।