স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে ৭ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। প্রস্তাবের শুরুতেই তিনি বললেন, ‘গত বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। তাই জাতীয় নির্বাচনের জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা প্রণয়ন বাঞ্ছনীয়। সেই নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে সব রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে।’
বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে গুলশানের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে এ সংক্রান্ত বক্তব্য রাখছেন খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়া বলেন, ‘মহাসচিব বা সাধারণ সম্পাদক পর্যায়ে বৈঠক করতে হবে। দুই রাজনৈতিক জোটের (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন) দুই মূল প্রতিনিধি, সহায়তাকারী আরো দু’জন প্রতিনিধি ওই বৈঠকে থাকবেন।
বাছাই কমিটি প্রসঙ্গে বেগম জিয়া বললেন, ‘নিবন্ধনকৃত রাজনৈতিক দল বা বিভিন্ন সময়ে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে বাছাই কমিটি হবে। বিতর্কিত নন ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাবেক প্রধান বিচারপতি, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত সচিব, বিশ্ববিদ্যায়লের সাবেক অধ্যাপক এবং দক্ষ ও যোগ্য নারীকে রাখতে হবে ৫ সদস্যর এই বাছাই কমিটিতে।’
বিএনপি চেয়ারপরসন বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং ৪ জন নির্বাচন কমিশনার নিযুক্ত করা হবে। বাছাই কমিটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে দু’জন এবং নির্বাচন কমিশনার পদে ৮ জন নির্বাচন করবেন। সেখান থেকে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং চারজনকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে চূড়ান্ত করবেন রাষ্ট্রপতি।’
তিনি বলেন, ‘অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কাজ করা কোনো ব্যক্তি এবং সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী কোনো ব্যক্তিও প্রধান নির্বাচন কমিশনার হতে পারবেন না।’