শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জয়পুরহাটে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার শীর্ষে নাজমা খানম রুপালি পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ ঈদযাত্রায় জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু                    কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় ইনসুরেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে – খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী        ঈদযাত্রায় স্বস্তি: নির্ধারিত ভাড়ায় চলাচল, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা—গাবতলীতে সড়ক মন্ত্রীর পরিদর্শন দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া মিরপুরে ছাত্রদল নেতা আশরাফুল হোসেন মামুনের সেহেরি আয়োজনে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সাড়ে সাত হাজার পরিবারে ইলিশ আনন্দ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৬
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় মেঘনা নদীতে মাছ ধরা চলছে পুরোদমে। দীর্ঘ ২২ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। নিষিদ্ধ থাকাকালীন জেলেদের জন্য বরাদ্ধকৃত চাল সকলে না পেলেও নিষেধাজ্ঞা মেনে চলেছে পুরোপুরি। ৩ নভেম্বর সকালে মিলাদ মাহফিল আয়োজনের মধ্যে দিয়ে জেলেরা মাছ ধরতে নামে মেঘনা নদীতে। জেলেরা জানান, প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে।উপজেলার মোট জেলের সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার ৫৩০। দীর্ঘদিন পর প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। চরবংশী গ্রামের জেলে আব্দুল লতিফ মাঝি বলেন, ইলিশ ধরার মৌসুমের শুরুতে দাদনের টাকা নিয়ে নৌকা কিনি। কিন্তু তখন নদীতে তেমন একটা মাছ পাইনি। এ কারণে হতাশ ছিলাম। এখন মৌসুমের শেষের দিকে এসে নদীতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় আমার পরিবারের লোকজন খুশি।

রায়পুর উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর চরবংশী, দক্ষিণ চরবংশী, উত্তর চর আবাবিল, দক্ষিণ চর আবাবিল ইউনিয়ন মিলিয়ে প্রায় সাত হাজার ৫৩০ জেলে পরিবার রয়েছে। মেঘনা নদীতে মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করে তারা। কিন্তু ৬-৭ বছর ধরে মেঘনা নদীতে মাছ কম পাওয়ার কারণে তাদের সংসারে চরম অভাব দেখা দেয়। এ বছর প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় কিছুটা হলেও অভাব ঘুচাবে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন সবুজ বলেন, সরকারের ইলিশ রক্ষা অভিযান মানার কারণে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। ভবিষ্যতেও জেলেরা যদি সরকারি নিয়ম মেনে চলেন তাহলে এ অঞ্চলে ইলিশের চাহিদা মিটিয়ে অন্য অঞ্চলে ভালো দামে ইলিশ বিক্রি করা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451