রামগঞ্জ প্রতিনিধি : রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর- চিতোষী সড়কের পানিয়ালা
ও সুধারাম বেলী ব্রিজ ২টি জরাজীর্ণ হয়ে দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত যানবাহন
চলাচল বিঘœ ঘটলেও সওজ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্র্তাদের ওই ব্রিজ
২টি মেরামত করার কোন উদ্যেগ নেয়নি। যানবাহনে যাত্রীদের দুর্ঘটনা নিত্য
সঙ্গী হয়ে পড়ে। ব্রিজ ২টি মধ্যখানে ক্ষুদ্র ছিদ্র হয়ে তাহা ধীরে ধীরে বৃহত্তকার
ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। সুত্রে জানান, জরাজীর্ণ ব্রিজ দিয়ে যানবাহন গুলো
অসাবধানতা চলাচলে বহু ক্ষুদ্র ও মাঝারী যানবাহনের চাক্কা ফাটলেও পড়ে ভয়াবহ
দুর্ঘটনা পড়ে। রাতের অন্ধকারে যানবাহন সহ পথচারীরা ফাটলে আটকে পড়ে
কুমিল্লা সহ ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পথে একাধিক যাত্রী মারাতœক জখম
হয়ে মৃত্যুর সংবাদও পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগীরা জানান, ব্রিজ ২টি ২০১৩ সালে লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জণপথের
প্রকৌশলীদের যোগ সাজসে অসাধু কর্মকর্তারা সংস্কার নামে রাতের আধারে
লোহার পাত দিয়ে জালাই করে লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। সংস্কার ১৫ দিন পরেই
ব্রিজটি পুনরায় ফাটলের সৃষ্টি হয়ে ভয়াবহ রুপ ধারন করছে।
ব্রিজ ২টি উপজেলার দ্বিতীয় ব্যস্ততম সড়ক। ঢাকার বিকল্প সড়ক হিসেবে স্বল্প
সময়ে বহু যানবাহন গুলো এ সড়কে যাতায়াত করে। সোনাপুর-পানিয়ালা হয়ে
চিতোষী,দোয়া ভাঙ্গা, মুদাফরগঞ্জ হয়ে কুমিল্লা বিশ্বরোর্ড, গোরিপুর
মহাসড়কে হয়ে ঢাকা-চট্রগ্রাম সহ বিভাগীয় সড়কে যানবাহন রাত-দুপুর এ
সড়কে চলাচল করে। উপজেলার বৃহত্তর বাজার পানিয়ালা,দল্টা,ভাটরা বাজার
ব্যবসায়ীরা পণ্য আনা নেওয়া কাজে এ সড়কে বেশী ব্যবহার করে।
রামগঞ্জ সরকারী কলেজ,মডেল বিশ্ববিদ্যালয়,দল্টা ডিগ্রী কলেজ, রামগঞ্জ আলীয়া
মাদ্রাসা, জিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কলেজ, পানিয়ালা,ভাটরা,দল্টা উচ্চ বিদ্যালয়
শিক্ষার্থীসহ কমলমতি প্রাথমিক ও কিন্ডার গার্ডেন শিক্ষার্থীরা এ সড়কে
জরাজীর্ণ ব্রিজ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু ইউসুফ জানান,সড়কটি সড়ক বিভাগের
কারনে জেলা আইন শৃংঙ্খলা সভায় জরাজীর্ণ ব্রিজ ২টি জেলা প্রশাসককে
অবহিত করার আশ্বস্থ করে।
উপজেলা সড়ক ও জণপথের অফিস সুত্রে জানান,জেলাতে বেলী ব্রিজের রেলী না
থাকায় অস্থায়ী ভাবে ২০১৩ সালে ওই ব্রিজ ২টি সংস্কার করা হয়েছে। সংস্কারের
পরেই ব্রিজ ২টি ভেঙ্গে যাওয়ার ঘটনা স্বীকার করে। ব্রিজ ২টি দ্রুত সংস্কারের
আশ্বস্থও করে।