সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের জেলা পাবনা-একই এলাকায় এক দিনে ৪ জনের মৃত্যু এক গোরস্তানে তিনজনের দাফন। সাভারে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি-ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা আশুলিয়ার জামগড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন আটক, প্রত্যেকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দখল করে রেখেছে মৎস্য আড়তের গাড়ি যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা আরিচা-কাজিরহাট নৌ-রুটে স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ঢাকা জেলা ৮ বারের সেরা করদাতা রোমান ভুঁইয়ার পক্ষ থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা আশুলিয়ায় নারীদের ওপর নির্যাতন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তালায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত সাংবাদিকতা সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে করতে হবে, পার্বতীপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে – বিএফইউজে সভাপতি পত্নীতলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী দিবসে  মোমবাতি প্রজ্জলন

ঝিনাইদহে ঘুষের বিনিময়ে কাগজপত্র ছাড়াই বিদ্যুত সংযোগ !

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ৪৯০ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

 

 

 
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহ ওয়েষ্টজোন পাওয়ার ডিষ্ট্রিবিউশন (ওজোপাডিকো) অফিসের

মিটার রিডার মোকাররম হোসেন ঘুষের বিনিময়ে কাগজপত্র ছাড়াই

বিদ্যুত সংযোগ দিয়ে চমক সৃষ্টি করেছেন।

তবে এ ক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন করা হলেও কোন অনুমোদন নেই। ঈদের

ছুটিতে এই অপকর্ম করে মিটার রিডার মোকাররম অসাধ্য সাধন করেছে।

বিষয়টি ঝিনাইদহ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম ও

লাইন ম্যান নজির জানেন না বলে জানিয়েছেন।

আর এই অনুমোদন ছাড়াই মিটার দিতে ঘুষ নেওয়া হয়েছে দশ হাজার

টাকা। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদরের আরাপপুরের ক্যাডেট

কলেজের বিপরীতে “ঝিনুকমালা” আবাসনের বাসিন্দা ভ্যান চালক মোঃ

কাদের মোল্লা তার বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য দালাল সরোয়ারের মাধ্যমে

বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেন।

প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দেখাতে না পারায় নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল

ইসলাম উপযুক্ত কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। পরবর্তিতে ঈদের ছুটিতে

অফিস বন্ধ হওয়ার পর মিটার রিডার মোকাররম দশ হাজার টাকা নিয়ে বিদ্যুৎ

সংযোগ দেয়।

জানা গেছে, কাদের মোল্লা ঝিনুক মালা আবাসনের স্থায়ী বাসিন্দা না

হওয়ায় তিনি কোন কোন কাগজ দেখাতে পারেন নি। ঘটনার স্যততা জানতে

ঝিনুক মালা আবাসনের অস্থায়ী বাসিন্দা কাদের মোল্লাকে জিজ্ঞাসা করলে

তিনি বলেন, আমি দশ হাজার টাকা দিয়ে সরো দালালের মাধ্যমে লাইন

পেয়েিেছ। অফিস কি ভাবে দিয়েছে, তা আমি জানি না।

তিনি আরো বলেন, মোকাররম এ ভাবে টাকা নিয়ে আমাদের ঝিনুক মালা

আবাসনে কাগজ পত্র ছাড়া টাকা নিয়ে অনেকের বাড়িতে মিটার দিয়েছে।

সেই সুত্রে আমিও ১০ হাজার টাকা দিয়ে মিটার ও লাইন নিয়েছি।

মোকাররমের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি বিভিন্ন কাজের অজুহাতে

বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ ব্যাপারে এলাকার লাইন ম্যান নজির হোসেনের

সাথে কথা হলে, তিনি জানান এই বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।

ঈদের ছুটিতে অফিস বন্ধ থাকার কারণে কাদের মোল্লার কোন ফাইল অফিসে

অনুমোদন হয় নি। এদিকে বিষয়টি জানাজানি হলে মিটার রিডার

মোকাররম নিজেই গোপনে আবাসন এলঅকায় গিয়ে মিটার ও বিদ্যুৎ

সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন বলে জানান, কাদের মোল্লা।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম

জানান, আমার অফিসে কোন প্রকার ঘুষের লেনদেন হয় না। এছাড়া আমি

ইদের ছুটিতে ছিলাম। এ ব্যাপারে আমার জানা নাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451