শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদে আসছে জি সিরিজের নাটক ‘সাত দিন’ ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা সংসদ থেকে শুরু করতে চাই- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা সরকারের: পরিবেশ মন্ত্রী  গফরগাঁও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে  মোবাইল কোর্ট পরিচালনা  ইরান–ইসরায়েল উত্তেজনার মাঝেই ভারত থেকে পার্বতীপুরে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল ঈদ উপলক্ষে দৌলতদিয়া নৌ পথের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় মতবিনিময় সভা  বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এখন আমাদের জাতীয় অঙ্গীকার, জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রবাসীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে সরকার – ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে নিহত প্রবাসীর জানাযায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার অভিযানে ঢাকা মহানগরে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করা হচ্ছে-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ

ঝিনাইদহে ঘুষের বিনিময়ে কাগজপত্র ছাড়াই বিদ্যুত সংযোগ !

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ৪৯৫ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

 

 

 
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহ ওয়েষ্টজোন পাওয়ার ডিষ্ট্রিবিউশন (ওজোপাডিকো) অফিসের

মিটার রিডার মোকাররম হোসেন ঘুষের বিনিময়ে কাগজপত্র ছাড়াই

বিদ্যুত সংযোগ দিয়ে চমক সৃষ্টি করেছেন।

তবে এ ক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন করা হলেও কোন অনুমোদন নেই। ঈদের

ছুটিতে এই অপকর্ম করে মিটার রিডার মোকাররম অসাধ্য সাধন করেছে।

বিষয়টি ঝিনাইদহ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম ও

লাইন ম্যান নজির জানেন না বলে জানিয়েছেন।

আর এই অনুমোদন ছাড়াই মিটার দিতে ঘুষ নেওয়া হয়েছে দশ হাজার

টাকা। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদরের আরাপপুরের ক্যাডেট

কলেজের বিপরীতে “ঝিনুকমালা” আবাসনের বাসিন্দা ভ্যান চালক মোঃ

কাদের মোল্লা তার বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য দালাল সরোয়ারের মাধ্যমে

বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেন।

প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দেখাতে না পারায় নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল

ইসলাম উপযুক্ত কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। পরবর্তিতে ঈদের ছুটিতে

অফিস বন্ধ হওয়ার পর মিটার রিডার মোকাররম দশ হাজার টাকা নিয়ে বিদ্যুৎ

সংযোগ দেয়।

জানা গেছে, কাদের মোল্লা ঝিনুক মালা আবাসনের স্থায়ী বাসিন্দা না

হওয়ায় তিনি কোন কোন কাগজ দেখাতে পারেন নি। ঘটনার স্যততা জানতে

ঝিনুক মালা আবাসনের অস্থায়ী বাসিন্দা কাদের মোল্লাকে জিজ্ঞাসা করলে

তিনি বলেন, আমি দশ হাজার টাকা দিয়ে সরো দালালের মাধ্যমে লাইন

পেয়েিেছ। অফিস কি ভাবে দিয়েছে, তা আমি জানি না।

তিনি আরো বলেন, মোকাররম এ ভাবে টাকা নিয়ে আমাদের ঝিনুক মালা

আবাসনে কাগজ পত্র ছাড়া টাকা নিয়ে অনেকের বাড়িতে মিটার দিয়েছে।

সেই সুত্রে আমিও ১০ হাজার টাকা দিয়ে মিটার ও লাইন নিয়েছি।

মোকাররমের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি বিভিন্ন কাজের অজুহাতে

বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ ব্যাপারে এলাকার লাইন ম্যান নজির হোসেনের

সাথে কথা হলে, তিনি জানান এই বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।

ঈদের ছুটিতে অফিস বন্ধ থাকার কারণে কাদের মোল্লার কোন ফাইল অফিসে

অনুমোদন হয় নি। এদিকে বিষয়টি জানাজানি হলে মিটার রিডার

মোকাররম নিজেই গোপনে আবাসন এলঅকায় গিয়ে মিটার ও বিদ্যুৎ

সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন বলে জানান, কাদের মোল্লা।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম

জানান, আমার অফিসে কোন প্রকার ঘুষের লেনদেন হয় না। এছাড়া আমি

ইদের ছুটিতে ছিলাম। এ ব্যাপারে আমার জানা নাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451