মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের জেলা পাবনা-একই এলাকায় এক দিনে ৪ জনের মৃত্যু এক গোরস্তানে তিনজনের দাফন। সাভারে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি-ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা আশুলিয়ার জামগড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন আটক, প্রত্যেকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দখল করে রেখেছে মৎস্য আড়তের গাড়ি যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা আরিচা-কাজিরহাট নৌ-রুটে স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ঢাকা জেলা ৮ বারের সেরা করদাতা রোমান ভুঁইয়ার পক্ষ থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা আশুলিয়ায় নারীদের ওপর নির্যাতন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তালায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত সাংবাদিকতা সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে করতে হবে, পার্বতীপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে – বিএফইউজে সভাপতি পত্নীতলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী দিবসে  মোমবাতি প্রজ্জলন

বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলে ইলিশের সুবাস: এক ট্রলারে ৬৫ মণ মাছ, বিক্রি ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা

সাইফুল ইসলাম কবির , বাগেরহাট
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরবন থেকে ফিরে:দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাত বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলের কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে টানা মাছের আকালের মাঝে একটি ট্রলারে আনা ৬৫ মণ ইলিশসহ অন্য মাছ বিক্রি করেছেন জেলেরা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এক ট্রলারের মাছ বিক্রি করা হয়েছে ৩৯ লাখ ৬০ হাজার ১৪০ টাকায়।

পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে রোববার দুপুরে এসব মাছ মেসার্স খান ফিস নামে একটি আড়তে নিয়ে আসলে তা নিলামে বিক্রি করা হয়। শনিবার কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণে ১৫০ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে এসব ইলিশ ধরা পড়ে।

 

এফবি সাদিয়া-২ নামে মাছ ধরা ট্রলারটি গত ৯ জুলাই আলীপুর ঘাট থেকে ২৩ জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। গত দুইদিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্ক্ষিত মাছগুলো ধরা পড়েছে।

 

মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে এসে তিনটি আকারে আলাদা করা হয়। ৯০০ গ্রাম ১কেজি ওজনের মাছ মণ প্রতি ৯৫ হাজার টাকা, ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতি মণ ৭০ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতি মণ মাছ ৫৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ১লাখ ১৭ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। সব মিলিয়ে ৩৯ লাখ ৬০ হাজার ১৪০ টাকার মাছ বিক্রি হয়েছে।

 

ট্রলারের মাঝি শাহাবুদ্দিন বলেন, ৯ জুলাই আলীপুর ঘাট থেকে ২৩ জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে যাই। ফিশিং করতে করতে কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে মাছগুলো পেয়েছি। ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার পরে দফায় দফায় বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়েছি বহুবার। এই বছর প্রথম বেশি পরিমাণে মাছ পেয়েছি। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবো।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, দীর্ঘদিন নিষেধাজ্ঞা ও বৈরী আবহাওয়ায় জেলেরা লোকসানে জর্জরিত হয়েছেন। কিছুদিন ধরে ভালো পরিমাণ মাছ পেয়েছে। এটা নিষেধাজ্ঞার সুফলও বলা যায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সামনে বেশ ভালো পরিমাণ মাছ পাবে বলে আশা

করা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451