বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আধুনিক এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন: আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবের পথে নতুন অগ্রযাত্রা  বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আশুলিয়ার বিএনপি নেতা হেলাল উদ্দিন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক শফিক সাগর: সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ আশুলিয়ায় গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসায় ফুলেফেঁপে উঠছে কারবারিরা লাখ লাখ টাকার মালিক আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে দুই ডাকাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্যসহ ৫জন গ্রেফতার ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় “জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের” শুভ উদ্বোধন

ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার চরে নারীদের খামারের গাভীর দুধের উপর নির্ভরশীল

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৬
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা থেকে শেখ হুমায়ুন হক্কানী ঃ সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার

ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলের নারীরা গরু খামারের গাভীর দুধ বিক্রি

করেই এখন আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি সাঘাটা ও ফুলছড়ি

উপজেলার মানুষও এখন চরাঞ্চলে উৎপাদিত এই দুধেরই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

জানা গেছে, সাঘাটা উপজেলার স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

এসকেএস ফাউন্ডেশন কর্তৃক ইউকেএইড অর্থায়নে রি-কল প্রকল্পের

অধীনে সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার ৬’শ জন নারীকে প্রশিক্ষণ, উপকরণ ও

আর্থিক সহায়তা দিয়ে গাভী পালন ও দুধ উৎপাদনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে

তুলেছে। ওইসব নারীরা তাদের প্রতিপালিত গাভী থেকে উৎপাদিত দুধ ১২টি

দুধ সংগ্রহ কেন্দ্রে বিক্রি করে থাকে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫০ জনের দুধ

উৎপাদক দল রয়েছে। তেমনি একটি ফুলছড়ি উপজেলার দক্ষিণ পিপুলিয়া দুধ

সংগ্রহ কেন্দ্র।

ফুলছড়ির দক্ষিণ পেপুলিয়া সমাজ ভিত্তিক সংগঠনের ৫০ জনের গ্র“প

ম্যানেজার সুবিতা বেগম রেজিষ্টার খাতা নিয়ে সদস্যদের দুধ ৩৩ টাকা

কেজি দরে ক্রয় করে তা সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার পাইকারী ব্যবসায়ীদের

কাছে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে। এসব দুধ সংগ্রহ করে

ব্যবসায়িরা ফেরী করে দু’উপজেলার হোটেল, রেস্তোরা, বাসা-বাড়িতে

বিক্রি করছে তারা।

এসব নারীরা খামারে গাভী পালন করে ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হচ্ছে। এতে করে

নারী নির্যাতন, বিবাহ বিচ্ছেদ, বাল্য বিবাহ কমে গেছে। এসব নারীদের

সরকারীভাবে সহায়তা প্রদান করা হলে তারা একদিন আত্মনির্ভরশীল হয়ে

সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451