বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০৩:১৬ অপরাহ্ন

গুরুদাসপুরে পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার অভিযোগ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৬
  • ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

গুরুদাসপুর প্রতিনিধি.

মাদক বিক্রি ও সেবনে অগ্রাধিকার দেয়ায় নাটোরের গুরুদাসপুর থানা পুলিশ ও আ’লীগ দলীয় কিছু নেতার

প্রতি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা যায়- উপজেলার শাহাপুর গ্রামে প্রতিবছরের মতো গত রোববার-সোমবার ‘আউল-বাউল

সাঁইচিশতিয়া ছিলছিলা পীরে কামেল দরবেশ রহিম শাহ মুয্ধসঢ়;মুয্ধসঢ়; চিশতিয়া (রাঃ)’ এর ২১তম বার্ষিক পবিত্র ওরশ

মোবারক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র শাহনেওয়াজ আলী। এসময়

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলাল শেখ, উপজেলা মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী ও ভাইস

চেয়ারম্যান সাহিদা আক্তার, পৌর যুবলীগ সভাপতি তাহের সোনার ও উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সরকার মেহেদী হাসান

সহ পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওই মাজার পরিচালক সোহেল রানা বাবুু।

এলাকাবাসী জানান- গুরুদাসপুর থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস ১ মাসের মধ্যে উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা

দিয়েছিলেন। কিন্তু ঘটনা ঘটেছে তার উল্টো। সেখানে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবনে অনুমতি দেয় গুরুদাসপুর

থানা পুলিশ। ওরশ মোবারক অনুষ্ঠানে গাঁজা সেবনের ধোঁয়ার দুর্গন্ধে এলাকায় টিকে থাকা যায়না। তাছাড়া

যেখানে প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন আ’লীগ দলীয় নেতারা উপস্থিত, সেখানে প্রতিবাদী সাধারণ জনগণও ভুক্তভোগী হয়ে

পড়েছে। আসলে পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতারাই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত।

এলাকাবাসী আরো বলেন- মাজারে মাদক সেবন করে তৎসংলগ্ন সিনেমা হলে তারা নেশাগ্রস্থ অবস্থায় সিনেমা দেখে।

তাদের সিনেমা হলে আসার পেছনের মূল উদ্দেশ্যই হলো মাদক সেবন। ওরশ মোবারক অনুষ্ঠানে মাদক সেবন ও সিনেমা

হলটি বন্ধ করে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান এবং হলরুমের পেছনে ওই মাজার পরিচালক বাবু মাদকদ্রব্য

প্রাচারের সাথে জড়িত বলে এলাকার সচেতন নাগরিকবৃন্দরা জানান।

পৌর মেয়র শাহনেওয়াজ আলী বলেন- জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁকে আমন্ত্রন জানানো হয়। কিন্তু প্রকাশ্যে গাঁজা

সেবনের বিষয়টি তাঁর জানা নেই। মাজার পরিচালক সোহেল রানা বাবু বলেন- বছরের পর বছর ধরে এভাবেই ওরশ মোবারক

অনুষ্ঠান শান্তিপূর্নভাবে হয়ে আসছে। ভক্তদের কারনে গাঁজা সেবন বন্ধ করা সম্ভব হয়না।

এ ব্যাপারে ওসি দিলীপ কুমার দাস বলেন- বিচ্ছিন্ন ঘটনা এড়াতে সেখানে পুলিশ মোতায়ন করা হয়। এসব

অনুষ্ঠানে গাঁজা সেবন হয়েই থাকে। সেখানে হাজার হাজার ভক্ত-আসেকানের উপস্থিতির কারনে গাঁজা সেবন বন্ধে

কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।#

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451