মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রবাসীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে সরকার – ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে নিহত প্রবাসীর জানাযায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার অভিযানে ঢাকা মহানগরে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করা হচ্ছে-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে দোয়ার অনুরোধ ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের খালে মাছের চাষ ও খালপাড়ে গাছ লাগানো হবে- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি  ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ভারতে গ্রেপ্তার ২ এবার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাগেরহাটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক দল  চট্টগ্রাম মহানগর প্রস্তুতি কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে যুবলীগ ক্যাডার একাধিক হত্যা মামলার আসামী টেডি দিদার খুন

সাঁড়াশি অভিযানে মারমুখী অবস্থানে পুলিশ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ১১ জুন, ২০১৬
  • ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা: জঙ্গি ও সন্ত্রাসী ধরার সাঁড়াশি অভিযানের ঘোষণার পর থেকেই মারমুখী হয়ে উঠেছে পুলিশ সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার রাত থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ১১‘শ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

কিন্তু টার্গেট কিলিংয়ের সাথে জড়িত কেউ কি ধরা পড়েছে? এমন প্রশ্ন এখন বিশ্লেষকদের।

তাদের আশঙ্কা, গ্রেফতার বাণিজ্য ও রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনের হাতিয়ার হিসেবে এ অভিযানকে ব্যবহার করা হতে পরে।

টার্গেট কিলিংয়ের মধ্যে সবশেষ শিকার হয়েছেন পাবনার একটি আশ্রমের সেবক।

গত রোববার চট্টগ্রামে খোদ একজন পুলিশ সুপারের স্ত্রী দিনে দুপুরে একই কায়দায় খুন হবার পর সমালোচনা শুরু হয় দেশজুড়ে। এমন অবস্থায় বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দ্প্তর ঘোষণা দেয় শুক্রবার থেকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের ধরতে ৭ দিনের সাঁড়াশি অভিযানের। সেই সাথে পুলিশ সুপারের স্ত্রীর হত্যার ঘটনা বর্বরোচিত ও খুনিদের কাপুরুষ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।

আইজিপির এ ঘোষণার পর থেকেই ব্যাপক অভিযানে নামে পুলিশ।

গ্রেফতারের মধ্যে রংপুরে ১৬২, চট্টগ্রামে ১৫৭ এবং সিলেটে ১৫১ জনসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৯শতাধিক রয়েছেন।

সমাজ ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের প্রশ্ন এমন ঘোষণা দিয়ে আসল অপরাধী ধরার অভিযানের সফলতা নিয়ে। তাদের মতে যেখানে চিহ্নিতই করা যাচ্ছে না, কারা ঘটাচ্ছে একের পরে এক খুনের ঘটনা। সেখানে আগাম ঘোষণা পিছিয়ে দেবে পুলিশকেই।

অভিযান যেন বিরোধীমত দমন করার হাতিয়ার আর পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্যের কারণ না হয়, সেই আশংকার কথাও জানান তারা।

তারা আরো বলেন, একেকটি খুনের পর রাজনীতির মাঠ থেকে আগাম বক্তব্য, শুরুতেই ক্ষতিগ্রস্ত করে তদন্তকে। তাই নীরবে মূল হোতাদের গ্রেফতার করে নিজেদের সামর্থের কথা জানান দেয়া উচিত পুলিশের।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451