শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পার্লামেন্ট কক্ষে এমপিদের মারামারি

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ১১ মে, ২০১৯
  • ৩৪১ বার পড়া হয়েছে

একটি আইনের সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে পার্লামেন্টের ভেতর মারামারিতে জড়িয়েছেন হংকংয়ের এমপিরা। আইনের বিষয়টা ছিল, হংকংয়ের কোনো বাসিন্দার নামে চীনের মূল ভূখণ্ড, ম্যাকাউ কিংবা তাইওয়ানে মামলা হলে, সন্দেহভাজন ওই অপরাধীকে প্রয়োজনে সেসব স্থানে পাঠানোর বিধান সংক্রান্ত।

শনিবার পার্লামেন্ট কক্ষে হওয়া এ মারামারিতে বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা আহত হয়েছেন। আহত একজনকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। যে আইনের সংশোধনী নিয়ে এ মারামারি, তা কার্যকর হলে হংকংয়ের স্বাধীনতা বিপন্ন হতে পারে বলে শঙ্কা অনেকের।

আইনের পরিবর্তনের মাধ্যমে হংকংয়ের নাগরিকদের চীনের কাছে সহজেই তুলে দেয়া যাবে বলেও মনে করা হচ্ছে।

হংকংয়ের চীনপন্থি কর্তৃপক্ষ বলছে, বেইজিংর কাছে স্বাধীনতা বিকিয়ে দিতে নয়, ছুটিতে তাইওয়ান গিয়ে গর্ভবতী বান্ধবীকে খুন করে বাড়ি ফিরে আসা এক বাসিন্দাকে তাইপের কাছে হস্তান্তরের লক্ষ্যেই তারা এ সংশোধনী আনতে চাইছেন।

শনিবার পার্লামেন্টে সাংবাদিকদের সামনে হওয়া এ মারামারির ঘটনাকে ‘হংকংয়ের জন্য বিষাদের দিন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এক আইনপ্রণেতা।

পার্লামেন্টে মাইক্রেফোনের দখল নিতে গিয়ে দুই পক্ষ হাতাহাতি ও মারামারিতে জড়ান, জানিয়েছে রয়টার্স। মারামারির এক পর্যায়ে গণতন্ত্রপন্থি আইনপ্রণেতা গ্যারি ফেন মাটিতে পড়ে যান, পরে তাকে স্ট্রেচারে করে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। চীনপন্থি এক সাংসদকেও পরে স্লিংয়ে হাত ঝুলিয়ে রাখতে দেখা গেছে।

আইনটির সংশোধনী প্রস্তাবের বিপক্ষে হংকংয়ে গত মাস থেকেই একের পর এক বিক্ষোভ হচ্ছে। কট্টরপন্থি ব্যবসায়ীরাও এই সংশোধনীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

প্রস্তাবিত এ সংশোধনী ‘একেবারেই অপ্রয়োজনীয়’, যার মাধ্যমে হংকংয়ের বাসিন্দারা স্বাধীনতা, সম্পদ এমনকি তাদের জীবনও ঝুঁকিতে পড়তে পারে, বলেছে হংকংয়ের ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স।

হংকংয়ের শেষ ব্রিটিশ গভর্নর ক্রিস প্যাটেন গত মাসে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত সম্প্রচারমাধ্যম আরটিএইচকেকে বলেছেন, প্রস্তাবিত এ সংশোধনী হংকংয়ের মূল্যবোধ, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ওপর আঘাত।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451