মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অন্যের মুখে হাসি ফুটলে যার তৃপ্তি ..তিনি রনজিৎ বর্ম্মন

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৮
  • ৪০৭ বার পড়া হয়েছে

অন্যের মুখে হাসি ফুটলে যার তৃপ্তি ..
মেহেদী হাসান উজ্জল,ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
নিজের মাথা গোজার ঠ্াঁই টুকু নেই,নেই কোন নিজেকে নিয়ে চিন্তা তার, কিন্তু অন্যের মুখে হাসি ফুটলে যার তৃপ্তি মেলে। সেই যুবক দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার কাঁটাবাড়ী গ্রামের নিলকন্ঠ বর্ম্মনের ছেলে রনজিৎ বর্ম্মন (৩৫) বিয়ে সাধিও করে নাই, পেশায় একজন ওর্য়ালিং মিস্ত্রি।
রনজিৎ ছোট বেলায় তার মা জয়ন্তী রানীকে হারিয়েছে,পিতাও অন্যত্র বিয়ে করে নতুন সংসার পেতেছে, এখন নিজের বলতে কেউ নেই,একটি ছোট ভাই সেও মামাদের সাথে থাকে,রনজিতের সংসার বলতে তার এক মাত্র ওয়ার্ডিং এর দোকান। সেখানে রান্না করে, সেখানে ঘুমায়।
দুর্গা পুজায় যখন বৃত্তবানেরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্থ ঠিক সেই সময়,যে ছেলের মাথা গোছার ঠাই নেই, সেই রনজিৎ গরিব অসহায়দের বাড়ীতে গিয়ে তাদের মাঝে আসন্ন দুর্গা পুঁজা উপলক্ষে পুঁজার সামগ্রী (নারিকেল গুড়, মুড়ি, শাড়ি লুঙ্গি ও ধুতী) বিতরন করেছেন তার নিজ উদ্যোগে। গত শনিবার থেকে গতকাল রবিবার পর্যন্ত সে প্রায় ১৫০টি পরিবারকে এই পুঁজার সামগ্রী বিতরন করেছেন।
শুধু পুঁজায় নয়,ঈদেও সে বিভিন্ন গরিব পরিবারদেরকে ঈদ সামগ্রী (সেমাই চিনি ও কাপড়) বিতরন করে থাকেন।
রনজিৎ বলেন, তার নিজের আপন জনেরা তাকে ছেড়ে চলে গেছেন, এখন নিজের বলতে কেউ নেই তার পাশে,তাই এই গরিব মানুষ গুলোকে তার নিজের আপনজন মনে হয়,এই জন্য তিনি বিভিন্ন উৎসবে এই উপহার দিয়ে থাকেন, এই গরিব মানুষ গুলো তার উপহার পেয়ে খুশি হয়, এতে তার মনে তৃপ্তি মেলে।
প্রায় ২০বছর আগে তার মা জয়ন্তি রানী মারা যাওয়ার পর তার পিতা নিল কন্ঠবর্ম্মন তাদেরকে ছেড়ে নতুন বিয়ে করে নতুন সংসার পেতেছেন। ছোট ভাইটিকে মামা-খালারা মানুষ করলেও তার খোজ কেই রাখেনি। সেই কিশোর বয়স থেকে সে মিস্ত্রিও কাজ করে জিবিকা নির্বাহ করে আসছেন। এখন তার দোকানে অনেক গ্রাহক, ব্যবসাও ভাল চলে, সেই ব্যবসার একটি নিদৃষ্ট আয় থেকে তিনি অসহায় গরিব মানুষের উপকারের জন্য ব্যায় করে থাকেন।
মেহেদী হাসান উজ্জল


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451