শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের জেলা পাবনা-একই এলাকায় এক দিনে ৪ জনের মৃত্যু এক গোরস্তানে তিনজনের দাফন। সাভারে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি-ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা আশুলিয়ার জামগড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন আটক, প্রত্যেকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দখল করে রেখেছে মৎস্য আড়তের গাড়ি যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা আরিচা-কাজিরহাট নৌ-রুটে স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ঢাকা জেলা ৮ বারের সেরা করদাতা রোমান ভুঁইয়ার পক্ষ থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা আশুলিয়ায় নারীদের ওপর নির্যাতন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তালায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত সাংবাদিকতা সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে করতে হবে, পার্বতীপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে – বিএফইউজে সভাপতি পত্নীতলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী দিবসে  মোমবাতি প্রজ্জলন

রামগঞ্জের আলিপুরে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে আহত শিক্ষার্থী মৃত্যুর সাথে লড়ছে

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬
  • ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে

রামগঞ্জ প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার আলীপুর উচ্চ

বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো: সেলিম মিয়ার বেত্রাঘাতে আহত দশম

শ্রেনীর ছাত্রী হাসনা আক্তার মৃত্যুর সাথে লড়ছে।

একাধিক সুত্রে জানাযায়, টানা ভারী বর্ষনে গত মঙ্গলবার

হাসনা আক্তার স্কুল ড্রেস বিহিন বিদ্যালয় উপস্থিত হয়। পাঠদান

শুরুতে প্রধান শিক্ষক একাধিক বেত হাতে নিয়ে দশম শ্রেনীতে

প্রবেশ করে। এ সময়ে ড্রেস বিহিন শিক্ষার্থীদেরকে সনাক্ত করে ক্ষীপ্ত

হয়ে এলোপাতাড়ী হাসনা আক্তার সহ প্রায় ১০/১৫জন শিক্ষার্থীকে

প্রহার করে। এ সময়ে হাসনার আক্তার মাথায় ৪টি বেত্রাঘাতে গুরুতর

আহত হয়ে শ্রেনী কক্ষে অচেতন হয়ে পড়ে যায়। সংবাদ পেয়ে হাসনার

স্বজনেরা সহ বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষকগণ হাসনাকে উদ্ধার করে

রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার পর প্রধান শিক্ষক

মুঠোফোন বন্ধ করে নিরুদ্দেস হয়ে যায়। বিদ্যালয় কত্তৃপক্ষ

ঘটনাটি এড়ানো লক্ষ্যে পূর্ণ চিকিৎসার পূর্বে হাসনার

স্বজনদেরকে হুমকি-ধমকি দিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করতে বাধ্য করে।

সরজমিনে উপজেলার আলীপুর গ্রামে হাসনা আক্তারের বসত বাড়িতে

উপস্থিত হলে তার পিতা হানিফ মিয়াসহ স্বজনেরা কান্নায় ভেঙ্গে

পড়ে। বাড়িতে মাথায় ব্যান্ডিজ,হাতে স্যালাইন অবস্থায় হাসনা আক্তার

বলেন, স্যার সবাইকে হাতে বেত্রাঘাত করলেও আমার মাথায় ৪টি

বেত্রাঘাত করে। আমি জ্বরে,এবং মাথা ব্যাথা চোখে দেখিনা।

হাসনার পিতা হানিফ মিয়াসহ স্বজনেরা জানান, অসুস্থতার

বিষয়টি পত্রিকা প্রকাশ করতে বারন করে এবং শিক্ষকের বিরুদ্ধে

প্রশাসনিক শাস্তির দাবী করে।

শিক্ষক মো: সেলিম মিয়া বেত্রাঘাতে ঘটনাটি সত্যতা স্বীকার করে ।

তিনি বলেন ঘটনার পরেই আমি স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে

ছিলাম। মুঠোফোন ত্রুটির কারনে মোবাইল রিসিভ করতে পারেনি।

বিদ্যালয় সভাপতি আক্কাছ মাষ্টার বলেন, বেত্রাঘাত ঘটনাটি শুনেছি

এবং ছাত্রীর চিকিৎসার সু-ব্যবস্থা চলছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান ভ’ইঁয়া বলেন, অভিভাবকের

লিখিত পেলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বস্থ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451