বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফুলবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে কারেন্ট জাল

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ১ আগস্ট, ২০১৮
  • ৩৮৭ বার পড়া হয়েছে

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ ফুলবাড়ীয়া উপজেলার পৌর
সদরসহ বিভিন্ন হাটবাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে কারেন্ট জাল। সরকার
কারেন্ট জাল উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, বাজারজাত, ক্রয় ও ব্যবহারকারীদের
বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিলে মাছের আকাল থেকে দেশ কিছুটা হলেও রক্ষা
পেত। সেই সাথে বাচানো যেত বিলুপ্ত প্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছ।
বর্তমানে যেভাবে মাছের পোনা নির্বিচারে ধ্বংস করে চলছে এক
শ্রেণির অর্থলোভী অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীরা। তাতে করে শুষ্ক মৌসুমে সব
ধরনের মাছ সংকটে পড়বে দেশ। পোনা মাছ ধরার বিরুদ্ধে রেডিও টিভিসহ
সংবাদপত্রে প্রচারণা চালিয়েও কোন কাজে আসছে না সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ। প্রবাদে আছে ‘মাছের পোনা দেশের সোনা’। এ
কথাটি কেবল প্রবাদেই রয়ে গেছে। বাস্তবে এর কোন মিল নেই, নেই
প্রণীত এই আইনের কোনো কার্যকারিতা। অবৈধভাবে উৎপাদিত কারেন্ট
জালে ধরা পড়ছে ছোট ছোট সব প্রকার মাছ। ফলে জাল ব্যবসায়ীদের ব্যবসাও
চলছে রমরমা। ফুলবাড়ীয়ার বিভিন্ন হাট বাজারে প্রকাশ্যে দিবালোকে
কারেন্ট জাল বিক্রয় হওয়ার পরও উপজেলা মৎস্য অধিদফতর রয়েছে নিশ্চিুপ।
কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। সরেজমিনে ঘুরে উপজেলা
বিভিন্ন হাটে দেখা গোলো প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রির
মহাউৎসব। সরকার ৪ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার বা কম ব্যস বা দৈর্ঘ্যর ফাঁস
জালের (কারেন্ট জাল) নিষিদ্ধ ঘোষনা করলেও তা কোনো কাজে আসছে না।
নিয়ম অনুযায়ী এ আইন অমান্যকারীকে ৫শ টাকা জরিমানা বা ৬ মাসের
জেল অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার ঘোষনা রয়েছে। কিন্তু এসব আইনকে
বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু মৎস্য শিকারীরা অবাধে কারেন্ট জাল
ব্যবহার করে শিকার করছে পোনা মাছ। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বিলুপ্ত হয়ে
যাবে বিভিন্ন নদী-নালা ও বিলের মাছ।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451