মোঃ রেজাউল ইসলাম ,ঢাকা ঃ
নান্দনিক জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান বা বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রতি
পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ছে। প্রতি বছর ১৫ লাখ দেশী-বিদেশী পর্যটক ছুটে
আসেন এখানে। এর মধ্যে সাধারণ উদ্ভিদপ্রেমী সহ শিক্ষা ও গবেষণার কাজেও
অনেকে এ উদ্যানে আসেন। ১৯৬১ সালে রাজধানীর মিরপুরে এ উদ্যানের যাত্রা হয়।
বিচিত্র প্রজাতির উদ্ভিদের সমারোহে ৫৭টি বিভাগে বিভক্ত এ উদ্যানটি। এ
বাগানের মূল উদ্দেশ্য বিভিন্ন জাতের উদ্ভিদ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও জিনপুল তৈরি।
এ উদ্যানে আরও রয়েছে গোলাপ বাগান, পাইন বাগান, ফল গাছের বাগান, বাঁশ
বাগান, পাম গাছের বাগান, মৌসুমি বাগান, ঔষধি গাছের বাগান, পদ্ম
পুকুর, শাপলা পুকুর, ক্যাকটাস হাউস, অর্কিড হাউস এবং ইনডোর গাছের
জন্য রয়েছে নেট হাউস। ছোট-বড় জলাশয় আছে সাতটি। এ বাগানের মোট
আয়তন প্রায় ১১ একর। এখানে বর্তমানে ১১৭টি উদ্ভিদ পরিবারভুক্ত ৯৫২
প্রজাতির গাছ-গাছালি রয়েছে। এর মধ্যে ২৫৬ প্রজাতির ৩৫ হাজার বৃক্ষ, ৩১০
প্রজাতির ১০ হাজার গুল্ম ও ৩৭৮ প্রজাতির ১২ হাজার বিরুল ও লতা জাতীয়
উদ্ভিদ। পুরো এ উদ্যানকে দেখার জন্য রয়েছে সুউচ্চ পর্যবেক্ষণ টাওয়ার।
বিদেশী পর্যটকরা এ টাওয়ারে উঠে সবকিছু অবলোকন করেন। সবচেয়ে মজার
বিষয় হলো উদ্যানের ভিতরে কোন খাবার হোটেল নেই। দর্শনার্থীরা ইচ্ছা করলে
বাইরে থেকে খাবার কিনে ভিতরে নিতে পারেন। তবে উদ্যানের ভিতরে যেখানে
সেখানে ময়লা ফেলা যায় না। এজন্ন বিভিন্ন স্থানে ৪২টি ডাস্টবিন রাখা
আছে। এ ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে টহল পুলিশ কাজ করছে।