রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের জেলা পাবনা-একই এলাকায় এক দিনে ৪ জনের মৃত্যু এক গোরস্তানে তিনজনের দাফন। সাভারে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি-ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা আশুলিয়ার জামগড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন আটক, প্রত্যেকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দখল করে রেখেছে মৎস্য আড়তের গাড়ি যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা আরিচা-কাজিরহাট নৌ-রুটে স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ঢাকা জেলা ৮ বারের সেরা করদাতা রোমান ভুঁইয়ার পক্ষ থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা আশুলিয়ায় নারীদের ওপর নির্যাতন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তালায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত সাংবাদিকতা সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে করতে হবে, পার্বতীপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে – বিএফইউজে সভাপতি পত্নীতলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী দিবসে  মোমবাতি প্রজ্জলন

ঝালকাঠিতে আমনের বীজতলা তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকেরা দিশেহারা 

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে

 

 

ঝালকাঠি সংবাদদাতাঃ-অমাবশ্যার জোয়ারে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে গেছে ঝালকাঠির ৪ হাজার ৮২৭ হেক্টর জমির আমন বীজতলা। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষীরা। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহজালাল জানান, ঝালকাঠি জেলায় এ বছর আমন চাষাবাদ হয়েছে ৪ হাজার ৮২৭ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১৫০০ হেক্টর, নলছিটি উপজেলায় ১৪০০ হেক্টর, রাজাপুর উপজেলায় ৯৫৫ হেক্টর, কাঠালিয়া উপজেলায় ৯৭২ হেক্টর জমিতে আমনের চাষাবাদ করা হয়েছে।  সুগন্ধা, বিষখালী ও গাবখান নদীতে অমাবশ্যার জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ১ হাজার ২৩৫ হেক্টর জমির বীজতলা তলিয়ে গেছে। পানি নামার পড়ে ১ হাজার ২৩৫ হেক্টর জমির বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। পোনাবালিয়া ইউনিয়নের নাগপাড়া এলাকার কৃষক সরোয়ার হোসেন বলেন, ৭/৮ একর জমিতে আমন চাষ করেছি। কয়েকদিনের বন্যায় সব বীজ ভেসে গেছে। মাত্র ১/দেড় একর জমির বীজ রয়েছে বাকি সবই নষ্ট হয়েছে। কৃষক আব্দুল আজিজ খান বলেন, আমাদের এতো ক্ষতি হলেও কৃষি বিভাগের কেউ আমাদের দিকে তাকায় না। এ এলাকায় যিনি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রয়েছেন তিনি এলাকায় আসলে প্রকৃত কৃষকদের এড়িয়ে নেতাদের সঙ্গে কথা বলে চলে যান। পশ্চিম দেউরী এলাকার রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, পানি ওঠে আমাদের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও দোকানপাট সবই তলিয়ে গেছে। রাতে পানি বৃদ্ধি ও প্রচুর বাতাস দেখে সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছিলাম। পানি কমার পরে বীজ তলায় গিয়ে দেখি সব বীজ ভেসে গেছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের ক্ষতি লিখলে তাতে আমাদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয় না। যারা নেতা আছে তাদের ভাগ্যের উন্নতি হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ঝালকাঠির উপ-পরিচালক শেখ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, পানি বৃদ্ধির কারণে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করে মন্ত্রণালয়ে ইতোমধ্যে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলেই ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451