নিজস্ব প্রতিনিধি, গোাপলগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর রামদিয়া
বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ
উঠেছে। এ ব্যাপারে শহিদুল শেখ নামে এক অভিভাবক নিজে বাদী হয়ে
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ফিরোজা বেগম, সভাপতি সুলতান মোল্যা,
প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম শাহজাহান
সিরাজসহ সংশ্লিষ্ট ১২ জনকে বিবাদী করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, মামলার বাদী শহিদুল শেখের নাম স্কুলের খসড়া
ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করলেও পরিকল্পিত ভাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা
থেকে তার নাম বাদ দিয়ে তার স্ত্রী নাছরিন বেগমের নাম তালিকা ভূক্তি করা
হয়। এতে তিনি স্কুলের অভিভাবক সদস্য পদের সম্ভাব্য প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও
নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। এছাড়া বর্তমান কমিটির অভিভাবক
সদস্য রুহুল আমিন খাকী নির্বাচনে অংশ নিতে ভোটার হওয়ার জন্য তার
মেয়ে ও উপজেলার ভুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর
ছাত্রী খুকুমনি কে সমাপনী সার্টিফিকেট ছাড়াই নিয়ম বহির্ভূত
ভাবে ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করে। অথচ ওই প্রাইমারী স্কুলের হাজিরা
খাতায় পঞ্চম শ্রেণীতে ২০১৮ সালের মে পর্যন্ত খুকুমনির উপস্থিতি
রয়েছে। এভাবে গত ২৯ মে অন্যায় ও অবৈধ ভাবে ভোটগ্রহল ছাড়া
বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচন সম্পন্ন করে পুনরায় সুলতান মোল্যা
সভাপতি হয়েছেন।
মামলার বাদী শহিদুল শেখ বলেন, স্কুলের সভাপতি সুলতান মোল্যা পুনরায়
সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য ভোটার তালিকা থেকে আমার নাম বাদ
দিয়েছেন। তিনি প্রধান শিক্ষিকার যোগসাজসে তার ভাবাপন্ন লোকদের
প্রার্থী বানিয়ে নাটকীয় ভাবে বিনা ভোটে নির্বাচন সম্পন্ন করে
পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
সভাপতি সুলতান মোল্যা বলেন, কমিটি বৈধ-অবৈধ প্রধান শিক্ষিকার
বিষয়। তিনি কমিটির সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। আমার কোন দায়-
দায়িত্ব নেই।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষিকা ফিরোজা বেগমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল
দিয়ে বন্ধ পাওয়া গেছে।
কাশিয়ানী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম
মামলার কথা স্বীকার করে বলেন, আদালতের নির্দেশে স্কুল কমিটির সকল
কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।